Home About-us Privacy Policy Contact-us Services

সমগ্র লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সমগ্র লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

Skype, Viber whatsapp এর মত আরো যত software

By
Hangouts
http://www.google.com/hangouts/

Qq international
http://www.imqq.com/

Viber
http://www.viber.com/en/

Line
http://line.me/en/

KakaoTalk Messenger
http://www.kakao.com/talk/en

Facebook Messenger
https://www.facebook.com/mobile/messenger

Groupme
https://groupme.com/

Kik Messenger
http://www.kik.com/

Wechat
http://www.wechat.com/en/

Tango
http://www.tango.me/

fring
http://www.fring.com/

vtok
http://www.vtokapp.com/

facetime
http://www.apple.com/ios/facetime/
http://www.apple.com/mac/facetime/

Telegram
https://telegram.org/
Hall
https://hall.com/

Nimbuzz
http://www.nimbuzz.com/en/

Linphone

http://www.linphone.org/

Telegram desktop
https://telegram.org/

whispersystems
https://whispersystems.org/

glide me
http://www.glide.me/

wire
https://www.wire.com/

redphone
https://play.google.com/store/apps/details?id=org.thoughtcrime.redphone

oovoo
http://www.oovoo.com/
Read More

কার কার অভিনয় করতে ভালো লাগে? আসেন দেখি অভিনয়ে কেমন ক্যারিয়ার

By

ছোটবেলায় কোন নায়ক বা নায়িকাকে নকল করে তার মত হবার চেষ্টা কম বেশি আমাদের প্রায় সবারই ছিল। ব্যাপারটা অনেক আগে থেকেই প্রচলিত। অনেকের মনেই তাই বেশ ছোট বয়স থেকেই অভিনয় করার একটা সুপ্ত বাসনা তৈরি হয়। কিন্তু পরে, বিভিন্ন কারনে দেখা যায় সে ইচ্ছাটা আর পূরন হয় না। আবার অনেকেই ঠিক জানেন না, অভিনয়কে কি পেশা হিসাবে নেয়া সম্ভব কি না। নিলেই বা সেটা কীভাবে সম্ভব?
অভিনয় একটি শিল্প। অন্য সব শিল্পের মতোই এটিও আয়ত্তের জন্য অধ্যবসায় এবং চর্চার কোন বিকল্প নেই। তবে কেউ যদি মনে করেন অভিনয় করতে হলে খুব সুন্দর মুখশ্রী, লম্বা-চওড়া শরীর এসবের প্রয়োজন, সেটা ভুল। অভিনয়ের জন্য সব থেকে গুরুত্বপূর্ন হলো অবজারভেশন ক্ষমতা বাড়ানো। একজন মানুষ তখনই ভাল অভিনেতা যখন তিনি একজন ভাল দর্শক। দর্শক হিসেবে অবলোকন করার ক্ষমতা যত সূক্ষ্ম হবে, অভিনয়ের ক্ষেত্রে চরিত্রায়ন তত সহজ এবং জীবন্ত হবে।
বাচন ভঙ্গি এবং উচ্চারনও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন অভিনয়ের জন্য। অনেকেই মনে করেন অভিনয়ের জন্য শুদ্ধ উচ্চারন চর্চার প্রয়োজন খুব একটা নেই, কিন্তু এটা ভুল কথা। যিনি একটি সংলাপ শুদ্ধ উচ্চারনে বলতে পারেন, তিনি সেটিকে ইচ্ছে মত পরিবর্তন করে প্রয়োজনের সময় অন্যভাবেও(যেমন- আঞ্চলিক টানে) বলার ক্ষমতা রাখেন। কিন্তু উচ্চারনে শুদ্ধতা সংলাপ প্রদানে আত্মবিশ্বাস এবং প্রানের সঞ্চার করে। উচ্চারন সংক্রান্ত দুর্বলতা দূর করতে অভ্যাসের বিকল্প নেই।
অভিনয় শেখার জন্য বাংলাদেশে তেমন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। তবে অনেক পেশাদার থিয়েটার অভিনয়ের উপর কোর্স করাচ্ছে। এসব কোর্স শেষে সার্টিফিকেটও দেয়া হয়। শুধু তাই নয়, অনেক ক্ষেত্রে গ্রুপগুলো এখান থেকেও সদস্য গ্রহন করে। মূলত এই কোর্সগুলো অভিনয় শেখার জন্য বেশ ভাল ভুমিকা রাখে।
এছাড়া জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় সহ আরো কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে নাটক, নাট্যতত্ত্ব নিয়ে পড়ানো হয়। বেশ কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিল্ম এন্ড মিডিয়া বিষয়ে পড়ানো হয়। মোদ্দাকথা, অভিনয় সম্পর্কে হাতে কলমে শেখার কিছু জায়গা রয়েছে তবে সে সুযোগ মোটামুটি ঢাকাতেই সীমাবদ্ধ।
বর্তমানে মিডিয়াতেও অভিনয়শিল্পীদের বেশ রমরমা অবস্থা যাচ্ছে। দিন দিন চ্যানেল সংখ্যা বাড়ছে, বাড়ছে কাজের পরিমান। কিন্তু সেই হারে বাড়ছে না ভাল মানের অভিনেতা অভিনেত্রী। তাই, আপনার ভেতরেই যদি থাকে অভিনয়ের সুপ্ত বাসনা, দেখুন একবার চেষ্টা করে।
✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿
একজন অভিনয় শিল্পির দেয়া কিছু পরামর্শ তুলে ধরলাম..... হয়তো আপনাদের কাজে লাগবে (দুঃখিত অভিনয় শিল্পির নাম জানি না। তিনি যে ব্লগে লিখেছেন সেখানে কোন নাম দেয়া নেই। আমি কপি পেস্ট করেছি মাত্র)
এখন আসেন… আপনাদের শুটিং এর আগে এবং শুটিং চলাকালে অভিনয় সংক্রান্ত কিছু টিপস দেই । ভয় পাবেন না, বেশিরভাগ পয়েন্ট গুলো Google চাচার কাছ থেকে সংগ্রহ করা। আমি অল্প বিস্তর সংযোজন করেছি মাত্র।
✿✿শুটিং পূর্ব টিপসঃ
১। স্ক্রিপ্ট পড়ুনঃ অভিনয়ের সর্ব প্রথম স্টেপ হল আপনাকে স্ক্রিপ্ট মন দিয়ে পড়তে হবে। (মঞ্চে অভিনয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য)।
২। ডিরেক্টরের সাথে কথা বলুনঃ ডিরেক্টরের সাথে চরিত্র নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করুন। চরিত্রটি বুঝে নিন এবং ডিরেক্টর আপনার কাছ থেকে কি কি এক্সপেক্ট করছে তাও জেনে নিন।
৩। চরিত্র বিশ্লেষণঃ স্ক্রিপ্টের চরিত্রের নাম কি? সে কোথায় থাকে? কিভাবে কথা বলে? তার পারিপার্শ্বিক অবস্থা কি? তার পোশাক কেমন? তার আচরণ কেমন? ইত্যাদি আদ্যোপান্ত সবকিছু চরিত্র সম্পর্কে বিশ্লেষণ করুন। প্রয়োজনে ডিরেক্টরকে বারংবার বিরক্ত করুন ।
৪। চরিত্র ধারণঃ চরিত্রটি নিজের মাঝে ধারণ করুন এবং লালন করুন। নিজেকে উক্ত চরিত্রে কল্পনা করুন। চরিত্রের চাহিদানুযায়ী কথা বলুন এবং পোশাক পরিধানের চেষ্টা করুন।
৫। লোকেশন ভ্রমণঃ সম্ভব হলে শুটিং স্পট ঘুরে আসুন শুটিং এর আগেই। এতে করে চরিত্র ধারণে সুবিধা হবে।
৬। কো-অ্যাক্টরদের সাথে সাক্ষাৎঃ শুটিং এর আগে যদি কো-অ্যাক্টরদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব সৃষ্টি করতে পারেন, তাহলে উপকৃত হবেন।
৭। প্রপস সম্পর্কে ধারণাঃ শুটিং এ কি প্রপস ব্যবহার করতে হবে সে সম্পর্কে ধারণা রাখুন। প্রয়োজনে সেই প্রপস নিয়ে রিহার্স করুন।
৮। রিহার্সেল বা প্রি-শুটিং: আমাদের দেশের পরিচালকেরা সাধারণত রিহার্সেল বা প্রি-শুটিং এর প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন না (তারা বেশিরভাগই নিজেরে ‘কিছু একটা হয়ে গেছি’ টাইপ বলে মনে করে; আসলে কিছুই পারে না  )। অথচ ভাল অভিনয় এবং ভাল মেকিং এর জন্য রিহার্সেল / প্রি-শুটিং আবশ্যক। পরিচালক সে ধরণের ব্যবস্থা না রাখলে আপনাকে নিজে নিজেই রিহার্স করতে হবে। শুধু ডায়ালগ ডেলিভারি ই রিহার্স করবেন না, বডি মুভমেন্ট, ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন, ভয়েস এক্সপ্রেশন ইত্যাদি সব কিছু রিহার্স করবেন। ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন প্র্যাকটিস করার জন্য আদর্শ হচ্ছে আয়নার ব্যবহার। সবচেয়ে ভাল হয় যদি বড় কোন আয়নার (মাথা থেকে পা পর্যন্ত দেখা যায় এমন) সামনে রিহার্স করেন। রিহার্সেলে নিজে সন্তুষ্ট হলে এবার নিজস্ব ক্যামেরায় ভিডিও রেকর্ডিং এর মাধ্যমে এক্সপ্রেশন চেক করুন। ক্যামেরাতেই রেকর্ড করতে হবে এমন কোন কথা নাই, আপনার কম-দামী ঝাপসা মোবাইলেও ভিডিও রেকর্ড করতে পারেন।
✿✿শুটিং সময়কালীন টিপসঃ
১। ডিরেক্টরকে শুনুনঃ ডিরেক্টর পুরো প্রোডাকশনের চিত্র জানেন। তাই তারা যা করতে বলেন তা বুঝেশুনেই বলেন। অতএব, ডিরেক্টরের সমালোচনা বা পরামর্শ গুরুত্বের সাথে নিন। তাদের সাথে কাজের সময় অযথা তর্ক করবেন না (মাইরও দিবার পারে ) । পরিচালকের কোন ডিসিশন আপনার কাছে ভুল মনে হলে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করুন…না শুনলে, চেপে যান (ডিরেক্টরের উপরে হোন্ডার মত আবার চাইপা বইসেন না, বলতে চাইছি চুপ কইরা যান ) ।
২। আপনি বিশেষ কেউ ননঃ শুটিং স্পটে নিজেকে বিশেষ কেউ ভাবা থেকে বিরত থাকুন। আপনি প্রধান চরিত্রে থাকলেও পুরো প্রোডাকশন টিমের এফোর্ট ছাড়া সিনেমাটি নিশ্চয়ই বানানো সম্ভব নয়। প্রোডাকশন টিমের সাথে যুক্ত ছোট-বড় সকলের সাথে ভাল ব্যবহার করুন।
৩। কো-অ্যাক্টরের প্রতি মনোযোগঃ আপনি শুধু নিজের সংলাপ বলায় মনোযোগী হলে চলবে না, কো-অ্যাক্টরের প্রতিও মনোযোগী হন। যার সাথে অভিনয় করছেন তাকে সংলাপ শেষ করার সুযোগ দিতে হবে। নতুবা, ওভার ল্যাপিং হবে। এমন সব ধরণের কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে যা কো-অ্যাক্টরকে বিরক্ত করে বা অস্বস্তিতে ফেলে। ( শুটিং এর সময় সহ-অভিনেতার সাথে টাংকি মারা নিষিদ্ধ । শুটিং এর পর ইচ্ছা হইলে টাংকি মারতেই পারেন)।
৪। ক্যামেরা এঙ্গেল এবং দূরত্বঃ বেশিরভাগ প্রফেশনাল ক্যামেরার কাজ সুনির্দিষ্ট হয় এবং এগুলো ডিটেইলসে করা হয়। যখন ক্লোজ শট নেয়া হয়, আপনার সামান্য নড়াচড়ার কারণে পুরো শট টাই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। ওয়াইড শটের ক্ষেত্রে শরীর নড়াচড়ার জন্য আপনি তুলনামূলকভাবে বেশি স্বাধীনতা পাবেন।
৫। বাস্তবিকভাবে সংলাপ বলুনঃ সাধারণভাবে যেভাবে কথা বলেন, সংলাপও ঠিক সেভাবেই বলবেন। মঞ্চের অভিনয় করতে গেলে জোরে কথা বলতে হয় কিন্তু ক্যামেরার সামনে সাধারণভাবেই কথা বলুন। ফিসফিস করে কথা বলার প্রয়োজন হলে তাই বলুন। সাউন্ড ডিপার্টমেন্ট আপনার ভয়েসের সাথে অ্যাডজাস্ট করে নেবে।
৬। ক্যামেরা ফলো করবেন নাঃ নিজের মত অভিনয় করে যান। ক্যামেরা আপনাকে ফলো করবে, আপনি ক্যামেরাকে ফলো করবেন না। তবে, ডিরেক্টরের নির্দেশ থাকলে ক্যামেরা ফলো করতে পারেন।
৭। অভিনয় করবেন নাঃ ব্যাপারটা হল, আপনি অভিনয় করবেন ঠিকই। কিন্তু অভিনয় করছেন বলে যেন মনে না হয়। চরিত্রকে নিজের মধ্যে ধারণ করুন।
৮। তাড়াহুড়ো করবেন নাঃ শুটিং এর সময় রিল্যাক্স থাকুন। তাড়াহুড়ো করবেন না। নইলে কাজ খারাপ হবে।
৯। এক্সপ্রেশন নিয়ন্ত্রণঃ ক্লোজ শটের সময় অতিরিক্ত চোখের পলক ফেলা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। আই-ভ্রু বেশি কুচকাবেন না । নিচের দিকে বেশি না তাকানোই ভাল। বেশি সমস্যা হলে কো-অ্যাক্টরের চোখের দিকে তাকিয়ে থাকবেন। ( এমনে চোখাচোখি করতে গিয়াই মনে হয় নায়ক-নায়িকা দের মধ্যে ইয়ে হয়ে যায়। তাই, সাবধান।
১০। মুখের পেশী শিথিলকরণঃ ক্যামেরার সামনে অভিনয়ের সময় মুখের পেশী শিথিল রাখার চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব।
পরিশেষে…অভিনয়কে আগে ভালোবাসুন। এরপরই অভিনয়কে নিজের মাঝে ধারণ এবং লালন করতে পারবেন। পর্যবেক্ষণ শক্তি বাড়ান। আপনার চারপাশের মানুষ লক্ষ্য করুন। তারা কিভাবে কথা বলে, চলাফেরা করে, বিড়ি টানে, খাওয়া-দাওয়া করে, ঝগড়া করে, হাসে… তাদের মুদ্রা দোষ গুলোও খেয়াল করে দেখবেন। আর অভিনয়ের ক্ষেত্রে জরুরি বিষয় হল… ভুল করেও অভিনয় করবেন না; BE NATURAL… । সবশেষে একটা পরামর্শ দিয়ে শেষ করি… আয়নাকে কখনোই কাছ ছাড়া করবেন না। এক্সপ্রেশন ইম্প্রুভ করার জন্য আয়নার বিকল্প আর কিছুই নাই।
✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿✿
[[[ হয়তো অনেক তথ্য অসম্পূর্ন; আশা করি আপনারা কমেন্টের মাধ্যমে তা সুধরে দিবেন। ভালো লাগলে শেয়ার ও কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের উৎসাহিত করুন। আপনার বন্ধুকে ‘আমার লক্ষ্য’ সম্পর্কে বলুন। ]]]
******************************************* একটু লক্ষ্য করুন*************************************************************
আমাদের পোস্টের অনেক কন্টেন্ট বিভিন্ন ওয়েব সাইট, ব্লগ অথবা অন্যান্য উৎস হতে সংগ্রহ করা। আমাদের উদ্দেশ্য সকলের উপকার করা।
আমার লক্ষ্যের কোন ব্যাবসায়িক উদ্দেশ্য নেই। এটি একটি অলাভজনক সংগঠন। শুধুমাত্র আপনাদের উৎসাহই আমাদের কাজের প্রেরণা।
এক্সপার্টস দের মূল্যবান উপদেশ সর্বোপরি সকলের সুচিন্তিত পরামর্শ প্রত্যাশা করছি।
Read More

রেডিও জকি (RJ) হবেন নাকি? আসুন দেখি একনজর > কিভাবে রেডিও জকি হওয়া যায়

By

বেতার তরঙ্গের বিভিন্ন এফএম রেডিও স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা শ্রোতাদের মাতিয়ে রেখে স্টেশন আর শ্রোতাদের মাধ্যে যোগসূত্র রক্ষার কাজ করেন রেডিও জকি বা 'কথাবন্ধু'। ছোট কথায় 'আরজে'। এই আরজিং বা রেডিও জকি এখন অন্যতম আকর্ষণীয় পেশা। এই পেশায় আসার আগে আপনাকে যেসব ধাপ অতিক্রম করে আসতে হবে সেসব মনে করিয়ে দেই চলুন_
✿✿ কথার পিঠে কথা
রেডিও জকির কাজ গানের ফাঁকে ফাঁকে কথার পিঠে কথার মালা গাঁথা। তবে, অতিকথন বা বাজে বকা নয়। বিনোদনের সঙ্গে দরকারি তথ্য শ্রোতদের জানানো। যাকে বলে 'ইনফোটেনমেন্ট'। এই কথা বলার ক্ষমতা কেউ জন্ম থেকেই পায় না। চর্চার মাধ্যমে অর্জন করে। আপনি চর্চা চালিয়ে নিজেকে তৈরি করুন সবার আগে। প্রয়োজনে আয়নায় দাঁড়িয়ে প্র্যাকটিস চালিয়ে যান। আর মাথাটা খাটান।
✿✿প্রযুক্তির ধাক্কা
স্টুডিওতে থাকে কম্পিউটার কনসোল ও মাইক্রোফোন। কনসোল অপারেশন করে গানের সিডি বাজাতে হয়। ফলে, কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তিগত দিকটাও সামলাতে হয়। এতে আবার ভাববেন না আপনাকে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ জ্ঞান অর্জন করে এখানে আসতে হবে। সামান্য জানা থাকলেই হয়। বাকিটা রেডিও হাউস শিখিয়ে নেবে। আর ষোল আনা শিখে আসলে কে ঠেকায় আপনাকে!
✿✿ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা কুল কুল...
অনুষ্ঠান চলাকালে কোনো ভুল-ভ্রান্তি হলে কিংবা অযথাই কেউ শুরু করলো সমালোচনা। ফেসবুক পেজ কিংবা মেসেজে উপর্যপুরি চালিয়েই যাচ্ছে বিরূপ মন্তব্য। এই অবস্থায় আপনাকে কোনো ভাবেই মাথা গরম করা চলবে না। ঠাণ্ডা মাথায় এটা সামলানোর মনমানসিকতা রাখতে হবে। কারণ, আপনি শ্রোতাদের মনোরঞ্জনের জন্যই এখানে বসেছেন। তাদের চাহিদার কথা আপনাকে মাথায় রাখতে হবে। তাই যাদের মেজাজ হুটহাট গরম হয়ে যায়, তাদের বলি, রেডিওতে আসার আগে মেজাজটা ডিপ ফ্রিজে রেখে আসুন। তবেই ঝক্কিগুলো আপন হয়ে ধরা দেবে!
✿✿প্রশিক্ষকের মুখোমুখি
বর্তমানে বেশ কিছু ট্রেনিং ইনস্টিটিউট দেশে আরজে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আমার কোন ধারনা নেই কে ভালো। তবে jobsA1 News Presentation & RJ Course ভালো হওয়ার কথা । খরচ মুটামুটি ৫০০০ টাকার মতো। প্রতিষ্ঠান ভেদে কম বেশি হতে পারে।
✿✿আত্নবিশ্বাসের পারদ
নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস এবং কোন বিষয়কে সুন্দরভাবে শব্দচয়নের মাধমে উপস্থাপন করার যোগ্যতা থাকলে তবে এফএম রেডিও স্টেশনে যোগাযোগ করতে পারেন। যদি প্রবল আত্মবিশ্বাস থাকে, থাকে টকাটক কথা, ফাটাফাট উত্তর, ঝাটঝাট প্রশ্ন, সাটাসাট রেফারেন্স দিয়ে শ্রোতাকে বিমোহিত করে রাখার ক্ষমতা, তবে দেরি কেন? কথা বলতে পারাটা একটা শিল্প। আর এটা যদি নেশা থেকে পেশা হয়; বলা যায়, এই চাকরির মন্দার বাজারে সোনায় সোহাগা!
✿✿সবজান্তা
আরজেদের প্রচুর জানতে হয়। অনেক সময় নির্দিষ্ট স্ক্রিপ্ট থাকে না প্রোগ্রামের। তাৎক্ষণিকভাবে কথার পিঠে কথা সাজিয়ে নিতে হয়। এক কথায় রেডিও জকি হলেন কথার 'জাদুকর'। কিন্তু কোন সময়ে কী কথা বলবেন, তার মাত্রাজ্ঞান থাকা দরকার। বিষয়ের ক্ষেত্রে বৈচিত্র আনতে বিভিন্ন বিষয়ে পড়াশোনা চাই। নিজের কণ্ঠস্বর রেকর্ড করে শুনলে অনেক দোষ-ত্রুটি সংশোধন করা যায়। এটি একটি পারফর্মিং আর্ট। ভেতরে সুরের মাত্রাজ্ঞান না থাকলে যেমন কণ্ঠশিল্পী হওয়া যায় না, তেমনই সহজত দক্ষতা না থাকলেও ভালো ট্রেনিং নিলে উপকৃত হওয়া যায়।
✿✿এফএম জার্নাল
আরজে নির্বাচনের ক্ষেত্রে এফএম চ্যানেলগুলোর নির্দিষ্ট বোর্ড থাকে। প্রাথমিকভাবে শতাধিক আগ্রহী প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেয় তারা। তারপর ২৫-৩০ জন বাছাই করে। ভয়েস টেস্ট, গ্রুমিংসহ কয়েকটি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে চূড়ান্ত নির্বাচন সম্পন্ন হয়।
তাছাড়া একজন আরজে প্রার্থীকে সাধারণ জ্ঞান, বাচনভঙ্গি ও সৃষ্টিশীলতায় পারদর্শী হতে হয়। তাকে হতে হয় শৈল্পিক মনের অধিকারী। আর নিজেকে জানতে হয় সবচেয়ে ভালোভাবে। নিজের গুণাবলির ওপর দিতে হয় জোর। তারপর স্বপ্নের পথে এগিয়ে যেতে থাকে।
✿✿কাজের সময়সীমা এবং বেতন
প্রাথমিকভাবে একজন রেডিও জকি পার্টটাইম এবং ফুলটাইম_ দুইভাবে কাজ করতে পারেন। পার্টটাইম হিসেবে একজন আরজেকে তিন ঘণ্টা অনুষ্ঠান পরিচালনা করার লক্ষ্যে কমপক্ষে পাঁচ ঘণ্টা অফিস করতে হয়। আর ফুলটাইমের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা ৮ ঘণ্টা থেকে তারও বেশি হয়ে থাকে। বেতন ১০ হাজার থেকে শুরু করে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে কর্মদক্ষতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেতন-সম্মানীও বাড়ে। বর্তমানে জনপ্রিয় আরজেরা এক লাখ টাকাও বেতন পাচ্ছেন।
✿✿✿✿আরজেতেই শেষ নয়
এফএম রেডিও স্টেশনে যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে অন্যান্য পদের পদন্নোতি হয়। যেমন-
✿প্রডিউসার : অনুষ্ঠান সম্প্রচার পরিকল্পনার দায়িত্বে থাকেন। তার কাজ অনুষ্ঠান প্রযোজনা, স্ক্রিপ্ট তৈরি, কথোপকথনের বিষয় বাছাই করা।
✿মিউজিক ম্যানেজার : রেডিও জকি অনুষ্ঠানে কোন কোন গান বাজাবেন, কখন বাজাবেন, কতক্ষণ বিরতির পর সেই গান পুনঃপ্রচার করা হবে_ এইসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
✿স্টেশন ম্যানেজার : স্টেশন পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব থাকেন স্টেশন ম্যানেজার।
✿অন্য পেশায় যেতে পারেন : কণ্ঠস্বরের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে রেডিও জকি ছাড়াও ফ্রি-ল্যান্স অনুষ্ঠান সঞ্চালনা, টিভিতে ভয়েস ওভার দেওয়া, সিনেমা, অ্যানিমেশন ফিল্ম ডাবিং করে ভালো আয় করা যায়।
Read More

আসুন আমরা একনজরে দেখে নিই পাইলট হতে কি লাগে

By

ছোটবেলায় পাইলট হওয়ার স্বপ্ন অনেকেই দেখেছেন। সাধ আর সাধ্যের যোগ না হওয়ায় অধরাই থেকে গেছে স্বপ্ন এরকম অনেকের ক্ষেত্রেই হয়েছে। আবার অনেকেই জানেন না কিভাবে কি করলে হতে পারবেন পাইলট!
আমাদের মধ্যে যাদের এখনও সময় আছে আসুন আমরা একনজরে দেখে নিই পাইলট হতে কি লাগে। আর যাদের আর এই পেশায় যোগ দেয়ার সুযোগ নেই তারা দেখে নিন আপনার পরবর্তি প্রজন্ম, বা আপনার কাছের কাউকে পরামর্শ দিতে।
একটি কথা আমরা সকলেই অকপটে স্বীকার করি- “জেনে রাখা ভালো”
> যোগ্যতা যেমন চাইঃ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস হতে হবে। উচ্চ মাধ্যমিকে পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত বিষয় দুটি থাকতে হবে।পদার্থ ও গণিতে কমপক্ষে বি গ্রেড থাকতে হবে। এ ছাড়া ইংরেজি বলা ও লেখায় দক্ষ হতে হবে। যাঁরা স্নাতক শ্রেণীতে পড়ছেন বা পাস করেছেনতাঁরাও পাইলট কোর্সে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।
> সবার আগে ভর্তি পরীক্ষাঃ পাইলট কোর্সে ভর্তি হতে সবার আগে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। এ পরীক্ষা হয় দুটি ধাপেমৌখিক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা। মৌখিক পরীক্ষায় সাধারণত বিজ্ঞান ও সাধারণ জ্ঞানের ওপর প্রশ্ন করা হয়। এটি সংশ্লিষ্ট একাডেমী নিয়ে থাকে। আর স্বাস্থ্য পরীক্ষা হয় সিভিল এভিয়েশন অনুমোদিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে।
> লাগবে গ্রাউন্ড কোর্সঃ ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা পাইলট কোর্স করার যোগ্য বলে বিবেচিত হন। পাইলট হতে পেরোতে হয় তিনটি ধাপ। গ্রাউন্ড কোর্সের পর পেতে হয় এসপি বা স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্স। এরপর পিপিএল (প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্স), আর সবশেষে পেতে হয় সিপিএল বা কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স। তিন মাসের থিওরি কোর্সে বিমানের কারিগরি এবং এয়ার ল বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এ ছাড়া এয়ারক্রাফট জেনারেল নলেজ, ফ্লাইট পারফরম্যান্স অ্যান্ড প্ল্যানিং, হিউম্যান পারফরম্যান্স অ্যান্ড লিমিটেশন, নেভিগেশন, অপারেশনাল প্রসিডিউর এবং প্রিন্সিপল অব ফ্লাইটের মতো বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা দেওয়া হয়।
> সময় এবার উড়াল দেওয়ারঃ গ্রাউন্ড কোর্সের পর সংশ্লিষ্ট একাডেমী লিখিত পরীক্ষা নেয়। পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সরাসরি বিমান চালনার জন্য সিভিল এভিয়েশনে এসপিএল বা স্টুডেন্ট পাইলট লাইসেন্সের আবেদন করতে হয়। আবেদনের পর সিভিল এভিয়েশন অথরিটি (সিএএবি) পরীক্ষা নেয়। সিএএবির পরীক্ষা এবং সিএমবির (সার্টিফায়েড বাই দ্য মেডিক্যাল বোর্ড) স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই কেবল এসপিএল দেওয়া হয়। এ লাইসেন্স দিয়ে ৪০ থেকে ৫০ ঘণ্টা বিমান চালনার সার্টিফিকেট অর্জন করে পিপিএল বা প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্সের আবেদন করতে হয়। এ সময় তিন মাসের থিওরি ক্লাসের সঙ্গে একটি ক্রস কান্ট্রি ফ্লাইট (এক জেলা থেকে অন্য জেলায় যাওয়া-আসা) চালানোর অভিজ্ঞতাও অর্জন করতে হয়। এরপর আবারও লিখিত এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই মেলে প্রাইভেট পাইলট লাইসেন্স। এ লাইসেন্স দিয়ে কোনো বাণিজ্যিক বিমান চালানো যায় না। তাই পাইলট হিসেবে চাকরির জন্য প্রয়োজন সিপিএল বা কমার্শিয়াল পাইলট লাইসেন্স। এ লাইসেন্স পেতে ১৫০ থেকে ২০০ ঘণ্টা বিমান চালানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। এ ছাড়া উত্তীর্ণ হতে হয় লিখিত ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায়। পাশাপাশি থাকতে হয় একটি ক্রস কান্ট্রি ফ্লাইট চালানোর অভিজ্ঞতা ও তিন মাসের থিওরি কোর্সের সার্টিফিকেট। সিপিএল পাওয়া মানেই নিশ্চিত চাকরি।
> কাজের ক্ষেত্রঃ বর্তমানে দেশে ও বিদেশে দক্ষ পাইলটের বেশ চাহিদা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (দি ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন) এক রিপোর্টে জানা যায়, বিমান সংস্থাগুলোর নতুন নতুন রুট চালু এবং পুরনো পাইলটদের অবসরে যাওয়ার ফলে প্রতিবছর ১৭ হাজার নতুন পাইলট প্রয়োজন হচ্ছে। এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক পরিসরে দক্ষ পাইলটের প্রয়োজন কতটুকু। এটি এমন এক পেশা, যেখানে চাকরিই প্রার্থী খোঁজে।
> কোর্সের সময় ও খরচঃ বৈমানিক কোর্স করতে দেড় থেকে সর্বোচ্চ তিন বছর লাগে। পিপিএল কোর্স করতে লাগে ছয় মাস। আর সিপিএল কোর্সে সময় লাগে এক বছর। বছরে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ও জুলাই-আগস্ট দুটি সেশনে বৈমানিক কোর্সে ভর্তি হওয়া যায়।
প্রতিষ্ঠানভেদে বৈমানিক কোর্সের খরচের কিছুটা তারতম্য হয়। সাধারণত পিপিএল ও সিপিএল কোর্স দুটি শেষ করতে ২০ থেকে ৩০ লাখ টাকা প্রয়োজন। কোর্স ফির বেশির ভাগই খরচ হয় ব্যবহারিক অর্থাৎ ফ্লাইং করতে। সাধারণত প্রতি ঘণ্টা ফ্লাইংয়ের জন্য খরচ পড়ে ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকা।
> কেমন আয়ঃ যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি দিন দিন বিমানের সংখ্যা বাড়ছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসসহ বেসরকারি অনেক বিমান সংস্থায় বৈমানিকদের চাহিদা রয়েছে। এসব এয়ারলাইনসে বৈমানিকদের আকর্ষণীয় বেতনে নিয়োগ দেওয়া হয়। বৈমানিকদের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয় ঘণ্টা হিসাবে। একজন সিপিএল লাইসেন্সধারী বৈমানিকের মাসিক আয় প্রায় দুই লাখ টাকা। বিদেশি এয়ারলাইনসে এর পরিমাণ আরো বেড়ে যায়।
> প্রশিক্ষণ নেবেন কোথায়?
বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমী অ্যান্ড জেনারেল এভিয়েশন লিমিটেড
বছরে দুটি সেশনে ভর্তি হওয়া যায়। কোর্সের মেয়াদ তিন বছর। কোর্স ফি ২০ লাখ টাকা। ঠিকানা : বাংলাদেশ ফ্লাইং একাডেমী অ্যান্ড জেনারেল এভিয়েশন, হযরত শাহজালাল ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট (ভিভিআইপি টার্মিনালের ডানপাশে), উত্তরা, ঢাকা।
গ্যালাক্সি ফ্লাইং একাডেমী
বছরে তিনটি সেশনে ভর্তি হওয়া যায়। কোর্সের মেয়াদ ১৮ মাস। কোর্স ফি ২৮ লাখ টাকা। ঠিকানা : বাড়ি-২০, লেক ড্রাইভ রোড, সেক্টর-৭, উত্তরা, ঢাকা।
আরিরাং এভিয়েশন
বছরে তিনটি সেশনে ভর্তি হওয়া যায়। কোর্সের মেয়াদ ১৮ মাস। কোর্স ফি ৩০ লাখ টাকা। ঠিকানা : বাড়ি ৪২, লেক ড্রাইভ রোড, সেক্টর ৭, উত্তরা, ঢাকা।
[[[ হয়তো অনেক তথ্য অসম্পূর্ন; আশা করি আপনারা কমেন্টের মাধ্যমে তা সুধরে দিবেন। ভালো লাগলে শেয়ার ও কমেন্টের মাধ্যমে আমাদের উৎসাহিত করুন। আপনার বন্ধুকে ‘আমার লক্ষ্য’ সম্পর্কে বলুন। ]]]
************************* একটু লক্ষ্য করুন*******************************************
আমাদের পোস্টের অনেক কন্টেন্ট বিভিন্ন ওয়েব সাইট, ব্লগ অথবা অন্যান্য উৎস হতে সংগ্রহ করা। আমাদের উদ্দেশ্য সকলের উপকার করা।
আমার লক্ষ্যের কোন ব্যাবসায়িক উদ্দেশ্য নেই। এটি একটি অলাভজনক সংগঠন। শুধুমাত্র আপনাদের উৎসাহই আমাদের কাজের প্রেরণা।
এক্সপার্টস দের মূল্যবান উপদেশ সর্বোপরি সকলের সুচিন্তিত পরামর্শ প্রত্যাশা করছি।
Read More

১ টি মাত্র সাইট থেকে ডাউনলোড করুন সব। এই পোস্ট না দেখলে আপনার কম্পিউটার চালানু বৃথা । যারা সফটওয়্যার খুজে হয়রান হয়ে গেছেন তারা এখানে আসেন।

By

আমরা বিভিন্ন সফটওয়্যার ইন্সটল
দিতে গেলে গুগল কে জিজ্ঞেস
করতে করতে হয়রান হয় যাই । অনেক সফটওয়্যার
আছে যে গুলু online install দিতে হয়
মাঝখানে কারেন্ট চলে গেলে শেষ। তাই আজ
আপনাদের এমন ১ টা সাইট এর সাথে পরিচয়
করিয়ে দেব যেখানে সব ধরনের সফটওয়্যার
ড্রাইভার পাবেন আপডেট ভার্সন । যেমন
আমি realtek সার্চ দেয়া মাত্রই সব
এসে হাজির ।

১ টি বার দেখে আসুন। ভুলতে পারবেন না
http://www.filehorse.com

Read More

Hyper Acidity Disease ( অতিরিক্ত অম্লত্ব রোগ)

By
Hyper Acidity এমন একটি অবস্থা যখন আমাদের পাকস্থলীতে অতিরিক্ত পরিমান এসিড উৎপন্ন হয় । আমাদের পাকস্থলীতে একধরনের তীব্র এসিড উৎপন্ন হয় যাকে রাসায়নিক ভাষায় হাইড্রোক্লোরিক এসিড বলে । এই এসিড পাকস্থলীতে বিভিন্ন কাজ করে । খাবার হজমের জন্য প্রয়োজনীয় পাচক রস বা এনজাইমের কার্যকারীতা এসিডিক মাধ্যমের উপর নির্ভরশীল । অর্থাৎ পাকস্থলীতে এসিডের অনুপস্থিতিতে বা একটি নির্দিষ্ট পরিমানের চেয়ে কম উপস্থিতিতে এনজাইম ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না , ফলে দেখা দেয় বদহজম । এসিডের আর একটি গুরুত্বপূর্ন কাজ হল খাবারে সাথে যদি কোনো অপ্রয়োজনীয় বা ক্ষতিকারক অনুজীব ( ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক ইত্যাদি ) থাকে তাহলে তার বেশীরভাগকেই মেরে ফেলা । ফলে এই এসিড আমদের সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় । কিন্তু অতিরিক্ত এসিড উৎপাদন শরীরের জন্য ক্ষতিকর । হাইড্রোক্লোরিক এসিড একটি তীব্র এসিড বিধায় আমাদের পাকস্থলীতে ক্ষত তৈরী করতে পারে । মূলত পাকস্থলীতে মিউকাস নামক এক ধরনের লেয়ার থাকে যা এসিডকে পাকস্থলীর অন্তপর্দার সংস্পর্শে আসতে দেয় না । অতিরিক্ত এসিড উৎপন্ন হলে এই মিউকাস লেয়ার সম্পূর্ণ সুরক্ষা দিতে পারে না । ফলে পাকস্থলীর অন্তপর্দায় ক্ষত তৈরী হয় যাকে Ulcer বলে । উক্ত ক্ষততে প্রদাহ হলে একে Gastritis বলে । প্রদাহের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে Gastritis বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে । ulcer বা gastritis উভয় ক্ষেত্রেই আমাদের পেটে ব্যথা হয় যাকে আমরা সাধারনভাবে গ্যাস্ট্রিক এর ব্যথা বলে থাকি । সময়মত এর চিকিৎসা না করালে এ রোগটি মারাত্বক আকার ধারন করতে পারে যাতে পাকস্থলী বা খাদ্যনালী থেকে রক্তক্ষরণ হয় । যথাসময়ে এর সুচিকিৎসা করালে খুব অল্প সময়েই এই রোগটি সেরে যায় ।
লক্ষণসমূহ : কখন বুঝবেন আপনার অতিসত্বর ডাক্তারের কাছে যেতে হবে , যখন আপনার –
১. বুক জ্বালা করবে
২. খাবারে অরুচি দেখা দিবে
৩. পেটে ব্যথা বা বুকে ব্যথা হবে
৪. পেট ফেঁপে থাকবে
৫. ঘন ঘন বাতাস বের হবে
এসব অবস্থায় দেরি না করে দ্রুত ডাক্তারের সরনাপন্ন হোন ।
চিকিৎসা : Hyper acidity এর চিকিৎসায় মূলত তিন ধরনের ঔষধ ব্যবহৃত হয় ।
১.  Antacids
২.  H2 Blockers
৩.  Proton pump inhibitors (PPI)
এদের মধ্যে PPI গ্রুপের ঔষধ গুলোর কার্যকারিতা সবচেয়ে বেশী এবং বর্তমানে ডাক্তাররা এধরনের ঔষধ ই সবচেয়ে বেশী দিয়ে থাকেন । এই গ্রুপের কিছু কিছু ঔষধ ( Omeprazole capsule ) খাবার গ্রহণের কমপক্ষে আধ ঘন্টা আগে খেতে হয় নয়ত ঔষধের কার্যকারিতা অনেকাংশেই কমে যায় । যদি খাবারের আগে ঔষধ খেতে মনে না থাকে তাহলে যখনই মনে পড়বে সাথে সাথে ঔষধ খেয়ে তার আধ ঘন্টা পর খাবার খাওয়াই ভাল হবে । ঔষধ কমপক্ষে ২৮ দিন বা তার বেশী দিন খেতে হবে । যদি কিছু দিন ঔষধ খাওয়ার পর ব্যথা ভাল হয়ে যায় তার পরও কমপক্ষে ২৮ দিন পর পর্যন্ত ঔষধ খাওয়া চালিয়ে যেতে হবে । কারণ পাকস্থলীর ক্ষত ভাল হতে কিছু দিন সময় নেয় । এ সময়ের মধ্যে ঔষধ খাওয়া বন্ধ করলে পুনরায় এ রোগ দেখা দিবে ।
প্রতিরোধ ও সাবধানতা : কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে সহজেই এ রোগ থেকে দূরে থাকা যেতে পারে ।
১. নিয়মিত খাবার খাবেন ।
২. অতিরিক্ত ঝাল খাবার বর্জন করুন।
৩. অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার বর্জন করুন ।
৪. খাবার গ্রহনের সময় প্রতিদিন একই রাখতে চেষ্টা করুন ।
৫. বেশী পরিমান খাবার একসাথে খাবেন না ।
৬. লম্বা সময় বিরতিতে খাবার খাবেন না ।
-এই রোগে আক্রান্ত অবস্থায় এই নিয়মগুলো অবশ্যই মেনে চলুন ।
“ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ঔষধ খাবেন না । প্রতিটি ঔষধেরই কিছু না কিছু পাশ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে ।”
Read More

অকাজের কলার খোসা ১০ কাজে

By

কলার খোসাকলার
নানা পুষ্টিগুণের কথা সবাই
জানেন, কিন্তু কলার
খোসা কি কোনো কাজে লাগে?

কলা খাওয়ার পর এর
খোসা যেখানে-
সেখানে ফেললে নানা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

কিন্তু জানেন কি? কলা যেমন
উপকারী, এর খোসার উপকারিতাও
কিন্তু কম নয়। কলার
খোসাকে আপনি নানা কাজে ব্যবহার
করতে পারেন। তবে রাসায়নিকমুক্ত
কলা হলে তা ভালো কাজে দেবে।

কলার খোসা কেন ফেলে দেবেন
না তা নিয়ে হেলথডাইজেস্ট
নামের স্বাস্থ্যবিষয়ক
একটি ওয়েবসাইট প্রতিবেদন প্রকাশ
করেছে।
ঝকঝকে সাদা দাঁতের জন্য:
প্রাকৃতিক
উপায়ে সাদা ঝকঝকে দাঁতের জন্য
কলার খোসা ব্যবহার করতে পারেন।

অনেকেই দাঁত
থেকে হলদে ভাবটা কিছুতেই
ওঠাতে পারেন না। কলার খোসার
ভেতরের দিকটা দিয়ে কিছুক্ষণ
দাঁত মাজুন। দাঁতে ব্যথা কমাতেও
কলার খোসা ভালো কাজ করে ।

দাঁতে পাকা কলার
খোসা প্রতিদিন ঘষে টানা এক
সপ্তাহ ব্যবহার
করলে তা ভালো কাজে দেবে।

ব্রণ দূর করতে:
মুখের ব্রণ দূর করতে কলার
খোসা উপকারী। এর মাধ্যমে একবার
সেরে গেলে ব্রণ আর
ফিরে আসে না।
মুখে ভালো করে ঘষে সারারাত
রেখে দিলে ব্রণের সমস্যা কাটবে।

কলার খোসা রান্নাঅবসাদ
কাটাতে:
ময়লা হিসেবে কলার
খোসা ফেলে দেওয়ার
চেয়ে তা রান্না করে খাওয়া যেতে পারে।
এতে অবসাদ দূর হয়৷ কলার খোসায় মুড-
নিয়ন্ত্রণ রাসায়নিক
সেরোটোনিন থাকে প্রচুর
পরিমাণে৷সেই সেরোটোনিন
শরীরের অবসাদ দূর করে।

মুখের দাগ দূর করতে:
কলার খোসা ব্যবহার করে সহজেই
মুখের দাগ দূর করা যায়। মধুর
সঙ্গে কলার
খোসা মিশিয়ে মুখে ভালো করে ঘষলে এই
দাগ দূর হয়।
অতিবেগুনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দেয়:
চোখে ছানি পড়ার হাত
থেকে রক্ষা করতে পারে কলার
খোসা। চুলকানি ও চোখের অবসাদ
দূর করতে চোখের ওপর কলার
খোসা মেখে নিতে পারেন।

কলার খোসায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট
লুটিন থাকে৷অতিবেগুনি রশ্মির
ছোবল থেকে চোখকে বাঁচায় এই
লুটিন৷
বলিরেখা দূর হয়:
ত্বকের জন্যও কলার খোসা অনেক
উপকারী। কলার খোসায় অ্যান্টি-
অক্সিডেন্ট রয়েছে,
যা বলিরেখা ঢাকতে পারে।
এটি সজীব ত্বকে সাহায্য
করতে পারে।

দাদের ওষুধ:
কলার খোসা দাদের ওষুধ হিসেবেও
কাজ করে। চুলকালে সেই
অংশে কলার
খোসা ঘষে দিলে চুলকানি বন্ধ
হবে এবং দ্রুত দাদ সেরে যাবে।

মসৃণ ত্বকের জন্য:
মুখমণ্ডল যদি শুষ্ক আর খসখসে হয়, কলার
খোসার ভেতরের অংশ
মুখে লাগিয়ে রাখুন কিছুক্ষণ।
তারপর ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ত্বক মসৃণ
ও মোলায়েম হয়ে গেছে।

খোসপাঁচড়া দূর করে:
ত্বকে কোথাও পাঁচড়া-জাতীয়
কিছু হলে সেই জায়গায় কলার
খোসা মেখে রাখুন, অথবা কলার
খোসা পানির মধ্যে সেদ্ধ
করে সেই পানি দিয়ে সংক্রমিত
জায়গা কয়েক দিন ধুয়ে ফেলুন।
উপকার পাবেন।

পোকা-মাকড় কামড়ালে:
যদি কোনো পোকা-মাকড় হঠাত্
কামড়
দিয়ে বসে এবং চুলকাতে থাকে এর
জন্য কলার
খোসা কাজে লাগাতে পারেন।
দ্রুত ব্যথা ও চুলকানি সেরে যাবে।

জুতা পরিষ্কারে কলার
খোসাগহনা পরিষ্কারে কলার
খোসা:
কলার খোসা দিয়ে চামড়ার জুতা,
কাপড়, রুপার গয়না পরিষ্কার
করতে পারেন। তাতে অলংকার
টেকসই হয় ও মসৃণতা বাড়ে।

এই তথ্যগুলি পেয়ে সবার
সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছা করল তাই
টিউন করলাম।
কি কাজে লাগবে তো?

আশা করি সবাই কাজে লাগাবেন।
ধন্যবাদ !

Read More

মানবদেহে রোযার উপকারিতা এবং বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ।

By

রোযা একটি কার্যকরী ডিটোক্সিফিকেশন
থেরাপি। যার
ফলে শরীরে জমে থাকা বিষাক্ত
পদার্থগুলি ভেংগে পরে শরীর
থেকে বেরিয়ে আসে। যাদের
শরীরের ওজন বেশি এবং যাদের
কম, উভয়ের জন্যই রোজার
উপযোগীতা রয়েছে।

এটা সহজেই অনুমেয়
যে রোজা শরীরের ওজন কমায়।
রোজা সময়টুকুতে শরীরে জমে থাকা চর্বীগুলো ব্যবহ্রত
হয়,পুড়ে নি:ষেশিত হয়
এবং এইভাবে শরীরের ওজন
কমে যায়।

যাদের শরীরের ওজন কম
রোজা রাখার ফলে তাদের
হজমের প্রক্রিয়াটি স্বাভাবিক
হয়ে আসে। রোজা রাখার
ফলে তারা যে খাদ্য খায়
তা হজম করতে ও তার
থেকে পুষ্টিকে গ্রহন করার জন্য
শরীর তৈরি হয়ে উঠে।

রোজা অনেক ধরনের চর্ম রোগের
সমস্যা থেকে আমাদের
মুক্তি দেয়।
এটি হয়ে থাকে শরীর
থেকে বিষাক্ত
দ্রব্যগুলো বেরিয়ে যাওয়ার
ফলে এবং রক্ত পরিশুদ্ধ হওয়ার
ফলে। রোজা সিগারেট
এবং মদের মত অনেক ধরনের
আসক্তি থেকেওআমাদের
মুক্তি দিতে পারে।

পুরোপুরি অভুক্ত থাকার প্রধান
সমস্যার দুটি হল
হাইপোকালেমিয়া এবং কার্ডিয়াক
এরিথমিয়া।
প্রথমটিতে রক্তে পটাসিয়ামের
লেভেল
অনেকটা নীচে নেমে যায় আর
দ্বিতীয়টিতে হার্টবিট
অস্বাভাবিক হয়ে পরে। কিন্তু
রোজা টোটাল ফাস্টিং নয়,
রোজাদাররা নিয়ম করে ইফতার
এবং সেহেরীর সময় খাদ্য গ্রহন
করে থাকেন।
রক্তে সুগারের
যে ঘাটতি দেখা দেয় তাও পুরন
হয়ে যায়। অতএব এটাতে কোন
মতভেদ নেই
যে রোজা মানবদেহের
স্বাস্থের আরো উন্নতি ঘটায়।

ইউনিভার্সিটি অফ
ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলীর এক
গবেষনায়
দেখা গেছে যে রোজা (ফাস্টিং)
রাখার ফলে তা স্বাস্থ্যের জন্য
বিভিন্ন উপকার বয়ে আনে।

যেমন ক্যান্সারের
ঝুকি কমে যাওয়া,
বুড়িয়ে যাওয়ার
প্রক্রিয়াটিকে মন্হর
করে দেওয়া এবং জীবনচক্রটিকে সর্বোচ্চ
পর্যায়ে বাড়িয়ে দেওয়া।

অর্গানিজমের
জীবনচক্রটিকে (লাইফ স্পান)
বাড়িয়ে দেওয়ার একমাত্র
প্রমানিত পদ্ধতি হলে কম
ক্যালরী গ্রহন করা।

ক্যালরী রেসট্রিকসন ডায়েটের
মত রোজাও
ক্যালরী গ্রহনকে কমাতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।
এটি ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব
এজিং এর নিউরোসাইন্সের
যে ল্যাবরেটরি রয়েছে তার
প্রধান প্যাটারসনের অভিমত।

ন্যাশনাল একাডেমি অব
সাইন্সের
মতে রোজা (ফাস্টিং) রাখার
মধ্যে অন্যান্য উপকার হল
গিয়ে স্ট্রেস রেজিস্ট্যান্স
বা স্ট্রেস
কমিয়ে দেয়া ইনস্যুলিন
সেনসিটিভি বাড়িয়ে দেওয়া মরবিডিটি ( morbidity)
কমিয়ে দেওয়া এবং আবার
জীবনচক্র বা লাইফস্প্যান
বাড়িয়ে দেওয়া।

ইন্টরনেট অবলম্বনে।

Read More
Home About-us Privacy Policy Contact-us Services
Copyright © 2014 kite | All Rights Reserved. Design By Templateclue - Published By Gooyaabi Templates