Home About-us Privacy Policy Contact-us Services

কম্পিউটিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কম্পিউটিং লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মাদারবোর্ড কিনতে যা জানতে হয় আপডেটেড…..

By

কম্পিউটার
কিনতে হলে আপনাকে প্রসেসরের
পরে বিবেচনা করতে হবে কি মাদারবোর্ড
কিনবেন। নিম্নলিখিত
বিষয়গুলো আপনাকেজানা থাকলে আপনি খুব
সহজেই বুঝতে পারবেন কোন
মাদারবোর্ড
আপনার দরকার। তো চলুন
জেনে নেই:

১. সবসময় সর্বশেষ
যে মাদারবোর্ডটি বাজারে এসেছে সেটি সংগ্রহ
করার চেষ্টা করবেন।

২. সর্বশেষ মাদারবোর্ড সংগ্রহ
করলেই
হবে না আপনাকে দেখতে হবে আপনার
এই
মাদারবোর্ডটি কোন কোন
স্পিডের
প্রসেসরকে সাপোর্ট করে।
নতুনদের
ক্ষেত্রে চেষ্টা থাকা উচি ৎ
বাজারের
সর্বশেষ মডেলের প্রসেসর কেনা।
সেক্ষেত্রে আপনার
মাদারবোর্ড উক্ত
প্রসেসরকে সাপোর্ট
করে কিনা সেটি জেনে নিন।
সেটি না হলে উপযুক্ত
মাদারবোর্ড
বেছে নিন।
যারা ইতিমধ্যে কমপিউটার
ব্যবহার করছেন এবং কোন
কারনে বর্তমানমাদারবোর্ডটি নষ্ট
হয়ে গেছে তারা তাদের
প্রসেসরের
সাথে মিল রেখে নতুন
মাদারবোর্ড সংগ্রহ
করবেন।

৩. প্রসেসর ও মাদারবোর্ডের বাস
স্পিড কত
এবং এগুলোর মধ্যে সাম Ä স্য
আছে কিনা তা দেখে নিবেন।

৪. মাদারবোর্ডের বাস স্পিড কত
তা জেনে নিন। স্পিড
বেশি হলে কাজের
ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করবেন।

৫. অবশ্যই খেয়াল রাখবেন
যেনমাদারবোর্ডের বাস স্পিড
সঙ্গে ক্যাশ
মেমোরির স্পিডও যেন সাম Ä
স্যপূর্ণ হয়।

৬. ভবিষ্যতের
কথা বিবেচনা করে উক্ত
মাদারবোর্ডটি সর্ব্বোচ্চ কত
ক্ষমতা পরযন্ত
র্যামকে সাপোর্ট
করে সেটি দেখে নিন।
যত বেশি র্যাম ব্যবহার করবেন
আপনার
পিসি তত বেশি দ্রুত কাজ করবে।
এখন ব্যবহার
না করলেও যেন
পরবর্তিতে আপনি বাড়তি র্যাম
লাগিয়ে নিতে পারেন
সেটি বিবেচনায়
রাখুন।

৭.
মাদারবোর্ডে হার্ডডিস্কলাগানোর
জন্য
কয়টি পোর্ট
আছেতা দেখে নিন।
বেশি পোর্ট
থাকলে সেটি অবশ্যই আপনার
জন্য ভাল।

৮.
মাদারবোর্ডে কতগুলো ইউএসবি পোর্ট
আছে তা দেখে নিন। যত
বেশি পোর্ট
পাবেন তত
বেশি ইউএসবি ডিভাইস
ব্যবহারের সুযোগ পাবেন।

৯.
মাদারবোর্ডে কি কি ধরনেরস্লট
আছে এবং কয়টি করে আছে তাদেখে নিন।
এ
ক্ষেত্রে PCI এবং ISA স্লটগুলোর
বিষয়ে খেয়াল রাখবেন।

১০. স্বীকৃত কোন প্রতিষ্ঠানকর্তৃক
উক্ত
মাদারবোর্ডটি ছাড়পত্র
পেয়েছে কিনা তা দেখেনিন।
যেমন: FCC
কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র।

১১. বাজারে বেড়িয়েছে USB 3
ভার্সনের
মাদারবোর্ড। যা অত্যন্ত
স্পিডে (৫ গিগা/
সে:) ইউএসবির
মাধ্যমে ডাটা ট্রান্সফার
করতে পারে।

Read More

আপনার কম্পিউটারের গতি কি খুব কম ? তা হলে গতি বাড়ানোর কিছু কার্যকর উপায় আপনার জন্য !

By

অনেকেই কম্পিউটারের
গতি কমে গেলে বিভ্রান্ত
হয়ে যান। কম্পিউটার
যদি ধীরগতিতে কাজ
করে তাহলে কার না বিরক্ত
লাগে! কিন্তু সামান্য কিছু
কাজ করলে কম্পিউটারের
গতি কিছুটা বাড়িয়ে নেওয়া যায়।

এ ধরনের কয়েকটি উপায় দেখে নিন
।

১. জায়গা খালি করুন
অনেক কম্পিউটারেরই হার্ড
ডিস্কের
জায়গা ভর্তি হয়ে যাওয়ায়
সেগুলো ধীর হয়ে যায়। আর হার্ড
ডিস্কের
জায়গা খালি না করলে কোনোভাবেই
সেগুলোর গতি ফেরানো সম্ভব হয়
না। প্রত্যেক হার্ড ডিস্কেরই
কমপক্ষে পাঁচ ভাগ স্থান
খালি রাখা প্রয়োজন। তাই
গতি বাড়ানোর জন্য প্রথমেই
আপনাকে হার্ড ডিস্কের কিছু
জায়গা খালি করতে হবে। অনেক
কম্পিউটারেই বহু প্রোগ্রাম
ইনস্টল করা থাকে, যেগুলোর
কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। এসব
অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ফাইল
মুছে ফেলাই
হতে পারে গতি বাড়ানোর
অন্যতম উপায়।

২. কম্পিউটার ঠাণ্ডা রাখুন
কম্পিউটারের ভেতরের
যন্ত্রগুলো অতিরিক্ত গরম
হয়ে গেলে তার
গতি কমে যেতে পারে কিংবা বন্ধও
হয়ে যেতে পারে। এ
সমস্যা দেখা দিলে প্রথমেই
কম্পিউটারের বাতাস চলাচলের
পথগুলো উন্মুক্ত রাখতে হবে।
ভেতরে ময়লা জমলে তা ভালোভাবে পরিষ্কার
করতে হবে।
ল্যাপটপে এমনটা হলে বাড়তি ফ্যানসহ
কুলিং প্যাড ব্যবহার
করতে পারেন। আর ডেস্কটপ
কম্পিউটার বেশি গরম
হলে বাড়তি ফ্যান লাগানোর
ব্যবস্থা করতে হবে।

৩. টেম্পোরারি ফাইল ডিলিট
করুন
আপনার ইন্টারনেটের
ফাইলগুলো কি কখনো ডিলিট
করেছেন? যেকোনো ওয়েবসাইট
ভিজিট করলেই এসব ফাইল
কম্পিউটার সেভ করে রাখে। আর এ
প্রক্রিয়ায় কম্পিউটার
ক্রমে ধীরগতির হয়ে যায়। এ
ঝামেলা দূর করার জন্য আপনার
নিয়মিত টেম্পোরারি ফাইল
ডিলিট করা উচিত। এ
ছাড়া কম্পিউটারেরও কিছু
টেম্পোরারি ফাইল থাকে।
এগুলো ডিলিট করার ভিন্ন
ভিন্ন পদ্ধতি আছে।
আপনি যে ব্রাউজার ব্যবহার
করেন সেটার এবং কম্পিউটারের
অপারেটিং সিস্টেম
অনুযায়ী খবর
নিয়ে টেম্পোরারি ফাইলগুলো ডিলিট
করে নিন।

৪. একসঙ্গে বেশি প্রোগ্রাম
চালাবেন না
কম্পিউটারে যদি আপনার
একসঙ্গে অনেকগুলো প্রোগ্রাম
কিংবা ওয়েবসাইট চালানোর
অভ্যাস থাকে তাহলে সেটা বাদ
দিন। এ কারণে কম্পিউটারের
ব্যবহারযোগ্য মেমোরি কমে যায়
এবং কম্পিউটারের গতিও
কমে পাল্লা দিয়ে।

৫. কম্পিউটার চালু
কম্পিউটার চালুর সময় একাধিক
প্রোগ্রাম চলতে শুরু
করলে তা আপনার কম্পিউটারের
গতি অনেকাংশে কমিয়ে দেবে (যেমন
মেসেঞ্জার, একাধিক ভাইরাস
গার্ড, স্কাইপ)। এ
সমস্যা মোকাবিলায়
প্রোগ্রামগুলো যেন শুধু
প্রয়োজনের সময়েই
চলে এবং অন্য সময় না চলে,
সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

৬.
মেমোরি সমস্যা মোকাবিলা
কম্পিউটার যদি হয়
পুরনো মডেলের তাহলে নতুন
সফটওয়্যার চালাতে তা সমস্যায়
পড়তে পারে। এ
সমস্যা মোকাবিলায় সবার
আগে দেখতে হবে কম্পিউটারে অতিরিক্ত
র্যাম লাগানোর উপায়
আছে কি না। যদি পর্যাপ্ত
র্যাম লাগানো যায়,
তাহলে কম্পিউটারের গতি আগের
তুলনায় অনেক বাড়বে।

৭. রক্ষণাবেক্ষণ
কম্পিউটারের নিয়মিত
রক্ষণাবেক্ষণ করা প্রয়োজন।
এর মধ্যে রয়েছে আপডেটেড
ভাইরাস গার্ড দিয়ে নিয়মিত
কম্পিউটার স্ক্যান করা। এ
ছাড়া খুঁজে দেখতে হবে স্পাইওয়্যারও।
অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার
আনইনস্টল করাও গুরুত্বপূর্ণ
একটি কাজ। আপনার কম্পিউটার
যদি অস্বাভাবিকভাবে ধীর
হয়ে যায় তাহলে আপডেটেড
অ্যান্টিভাইরাস
দিয়ে ভালোভাবে স্ক্যান
করে নেওয়া প্রয়োজন।

Read More

পেইড সফটওয়্যার ফ্রীতে ইন্সটল করার আগে …

By

প্রায় ৭ বছর ধরে কম্পিউটার ব্যাবহার
করছি। সফটওয়্যার ইন্সটল
করতে গিয়ে শিখলাম যে প্রায় সব
সফটওয়্যার ইন্সটল করার পরে crack
ফোল্ডারের ফাইল গুলো কপি কর
ইন্সটলেশন ডিরেক্টরিতে রাখতে হয়।
এইটাই সফটওয়্যার ইন্সটল করার নিয়ম।

কেন করতে হয় সেটা জানলাম কয়েক
বছর পরে। তখন মোটামুটি গর্ববোধ
করতাম। হাজার হাজার টাকার
সফটওয়্যার ফ্রী ব্যাবহার করছি,
এইটা একটা বিশাল ক্রেডিট এর
ব্যাপার।

এই বিশাল ক্রেডিটের একটা সুন্দর নাম
আছে। সফটওয়্যার পাইরেসি।
সোজা বাংলায় চুরি ! nationmaster.com
এর রিপোর্ট অনুযায়ী আমরা আছি ২
নাম্বারে। পাইরেসির হার ৯২%।

আরেকটা জরিপ বলে আমাদের
রেঙ্কিং ৩ নাম্বারে। (http://
globalstudy.bsa.org)। রেঙ্কিং ২-৩ যাই
হোক না কেন, এটা যে কোন
ক্রেডিটের ব্যাপার না তা হয়ত আচ
করতে পারছেন।
কিভাবে করা হচ্ছে এই র্যাঙ্কিং ?
ব্যাপারটা খুব সহজ আসলে।
আমরা যারা ফেসবুকে পাসওয়ার্ড
কখনও চেঞ্জ করেছি তারা জানি,
যে কনফার্মেশন ইমেইল ফেসবুক
আমাদের পাঠায়
তাতে আইপি এড্রেস, ব্রাউজার,
ব্রাউজারের ভার্শন,
অপারেটিং সিস্টেম
এগুলো লেখা থাকে। এই ইনফরমেশন
তারা পায় কোথাথেকে ? ওয়েবসাইট
ব্যাবহার করার সময় ব্রাউজার
ক্লায়েন্ট সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য
ওয়েবসাইটকে দেয় (যদি ওয়েবসাইট
জানতে চায়)। বড় বড় এই ওয়েবসাইট
গুলো প্রতিনিয়তই এই তথ্যগুলো সংগ্রহ
করছে।

আমারা crack করা কোন সফটওয়্যার
দিয়ে কিছু তৈরি করলে সেটাতেও
একটা মেটা ইনফরমেশন ফাইনাল
ফাইলটাতে যুক্ত হয়ে যায়,
যাতে আমার সফটওয়্যার এর ভার্শন, crack
করা না অরিজিনাল তার সব
ইনফর্মেশনই থাকে। তাই
আমরা যদি ভাবি যে চুপ করে টরেন্ট
দিয়ে একটা সফটওয়্যার
নামিয়ে তা দিব্বি ব্যাবহার
করে যাব, আর কেও জানবে না,
তাহলে আমরা বোকার স্বর্গে বাস
করছি।

crack করা হলে সমস্যা কি ?
বাংলাদেশ সফটওয়্যার চুরিতে ২-৩
নাম্বারে আছে। আর যদি দেশের
কথা বাদ দেই, তাহলে নিজের জন্যও
মারাত্মক। crack করা এই সব সফটওয়্যার এর
crack
যদি নিজেরা তৈরি করি তাহলে খুব
বেশি টেনশন নাই। কিন্তু যদি অন্য কেও
করে দেয় তা হলেই সমস্যা।
আপনি জানেন না crack করা ছাড়া আর
কি কি চেঞ্জ
করা হয়েছে সফটওয়্যারটিতে।
স্পাইওয়ার বা মেলওয়ার আছে কিনা।
হয়ত ভাবছেন, আমার crack
করা এন্টিভাইরাস আছে না ! সব কিছু
পরিষ্কার করে ফেলবে। ভাই,
এন্টিভাইরাস তো পরিষ্কার
করতে চায় ই ! আপনিই তো দেন না !
crack করার সময় এন্টিভাইরাস অফ
করে নিতে হয়। নাইলে আবার crack
করা যায় না ! আপনার কম্পিউটারের
কত কত তথ্য প্রতিনিয়ত চুরি হচ্ছে।
আপনি টেরও পাচ্ছেন না !

আমি কি করতে পারি ? আমার এত
টাকা নাই !

মানুষ আপনাকে ফ্রীতে ভাল জিনিস
দিতে চাচ্ছে ! আপনিই নিচ্ছেন না !
একটু সার্চ দিয়ে দেখেন, হাজার
হাজার ওপেনসোর্স ফ্রী সফটওয়্যার
আছে। সেগুলো ব্যাবহার
করতে পারেন। পৃথিবীর
সবচেয়ে শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম
লিনাক্স ব্যাবহার করতে পারেন ।

মাইক্রোসফট অফিসের বদলে ওপেন
অফিস ব্যাবহার করতে পারেন। টাকায়
কেনা সফটওয়্যার থেকে ভাল হয়ত
হবে না, কিন্তু বিশ্বাস করুন, সাধারন
ব্যাবহারের জন্য ৯৫% ক্ষেত্রে আপনার
এই ফ্রী সফটওয়্যার
গুলোতে দিব্বি চলতে পারবেন। প্রথম
প্রথম একটু অসুবিধা হবে। কিন্তু
পরে ঠিকই দেখবেন সবই করা যাচ্ছে।
এবং সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং বিষয়,
কম্পিউটারে যে ভাইরাস
বলতে একটা ব্যাপার আছে,
ধিরে ধিরে আপনি সেটা ভুলে যেতে শুরু
করবেন। কারণ উইন্ডোজের ভাইরাস
গুলোও লিনাক্সে কাজ করে না !

আর যদি মনে করেন ফ্রী সফটওয়্যার
গুলো পোষাচ্ছে না তাহলে যে সফটওয়্যারটি আপনার
দরকার সেটি কিনে ফেলাই উচিত।
ভাল মানের একটা সফটওয়্যার
তৈরি করতে প্রোগ্রামারদের এর
পরিশ্রম কিন্তু কম না। কাজের মূল্যায়ন
করা উচিত। অবশ্য চাইলেও অনেক
সফটওয়্যারই আমরা কিনতে পারবো না।
কারণ এত বেশি পাইরেসির
কারণে অনেক ভাল কোম্পানিই
তাদের পন্য আমাদের
দেশে বিক্রি করতে আসে না। আর
আন্তর্জাতিক বাজার
থেকে অনলাইনে কিছু
কেনা আমাদের জন্য এখনও স্বপ্ন !

পাইরেসি ঠেকাতে অধিকাংশ ভাল
সফটওয়্যার গুলো ক্লাউডের
দিকে ঝুঁকছে। সফটওয়্যার এখন অনলাইন
একাউন্ট ম্যাম্বারশিপের
মাধ্যমে ব্যাবসা করছে। তাই এখনই সময়।
কিভাবে শুরু করবেন ?
দির্ঘদিন উইন্ডজ ব্যাবহার করে হুট
করে লিনাক্স ব্যাবহারটা কঠিন হবে।
এভাবে চেস্টা করে দেখতে পারেন।
যেহেতু লিনাক্সে উইন্ডোজের
অধিকাংশ সফটওয়্যারই নেই, তাই আর
কিছুদিন উইন্ডোজ ব্যাবহার
করে লিনাক্সে আছে এমন ওপেনসোর্স
সফটওয়্যার ব্যাবহার শুরু করতে পারেন।
যেমন MS Office এর বদলে Open office
বা Libre Office, IDM এর বদলে FDM (Free
Download Manager) ইত্যাদি।

এতে করে আপনি লিনাক্সে সুইচ
করলে শুধু অপারেটিং সিস্টেম
ছাড়া বাকি সব কিছুই পরিচিত
মনে হবে। একি সাথে, অনেক
গুলো সফটওয়্যার crack করার
বদলে অরিজিনাল ব্যাবহার করতে শুরু
করতে পারবেন।
কিছু ফ্রী সফটওয়্যার যা বিকল্প
হতে পারে।

পেইড সফটওয়্যার ফ্রী সফটওয়্যার
কি সফটওয়্যার
MS Windows 7, Windows 8.1 Linux Ubuntu, Linux
Mint, Linux CentOS অপারেটইং সিস্টেম
MS Office Libre Office, Open Office Office Suite
Adobe Photoshop GIMP Image Editing
Adobe Illustrator Inkscape Vector Graphics Editing
Adobe Reader/ Acrobat Reader Foxit Reader, Nitro
Reader PDF Reader
Internet Download Manager Free Download
Manager Downloader
এমন আরো অনেক অনেক সফটওয়্যার
আছে। Google.com এ একটু খুজলেই
পাওয়া যাবে। "Open Source Alternative
for ...." এমন কিছু
লিখে খুজে দেখা যেতে পারে।

শেষ কথা

তর্ক করতে গেলে অনেক কিছু নিয়েই
করা যায়। উপরের সফটওয়্যার গুলো পেইড
সফটওয়্যার থেকে থেকে ভাল
হবে বা সমমানের
হবে এমনটা ভাবা ঠিক হবে না। শত
হলেই এগুল ফ্রী। তবুও যদি আমার কাজ
চলে যায়, চুরি কেন করব। আমরা দরিদ্র
দেশের দরিদ্র নাগরিক হতে পারি,
কিন্তু চোর নই।
যারা এই পোস্টটি এতক্ষন ধরে পড়লেন,
আশা করছি না তারা সবাই
ওপেনসোর্স আর ফ্রী সফটওয়্যার
ব্যাবহার শুরু করবেন। কিন্তু একজনও
যদি করেন তাহলে এই লেখা সার্থক
হবে। কেউ না করলেও আমি শুরু
করতে পারি। আমি আর আমার মত
অনেকে মিলেই তো আমরা !

Read More
Home About-us Privacy Policy Contact-us Services
Copyright © 2014 kite | All Rights Reserved. Design By Templateclue - Published By Gooyaabi Templates