Home About-us Privacy Policy Contact-us Services

জীবনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জীবনী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

যে ১০টি কারনে সবাই আপনার থেকে দূরে সরে যাবে!!

By

বন্ধু ছাড়া লাইফ ইম্পসিবল!
সত্যি ইম্পসিবল! বন্ধু আছে বলেই
আমাদের লাইফ এখন ও এত সুন্দর।
ওরা আছে বলেই আজ
না বলে হারিয়ে যাই, ঘুরতে বের
হয়ে যাই। এক কাপ চা ১০ ১২ জন
শেয়ার করে খাই কিন্তু
আপনি জানেন কি আপনার কিছু
আচরন আপনাকে আপনার বন্ধুদের কাছ
থেকে দূরে সরিয়ে দিতে পারে!!
এমন ১০ টি কারন এ তুলে ধরব আজকে।
Dont Be a BITCH!

১) অনের প্রতি হিংসা কাজ
করাঃ

আমরা কারনে অকারনে আমাদের
বন্ধুদের নিয়ে হিংসা করি।

প্রতিজোগীতা আর হিংসা এক
জিনিস নয়। আপনার
মধ্যে প্রতিযোগী মনভাব
থাকা ভালো কিন্তু
হিংসা আপনার জন্য কখনই
ভালো বয়ে নিয়ে আসবে না।

বরং হিংসা আপনাকে আপনার
বন্ধুদের থেকে দূরে ঠেলে দিবে।
তাই হিংসা থেকে দূরে থাকুন;

২) খুব ব্যক্তিগতভাবে সবকিছু গ্রহণ
করাঃ

অনেকে আছেন যারা সামান্ন
কথা কে খুব ব্যক্তিগতভাবে গ্রহন
করেন। সব কথাই নিজের
গায়ে লাগিয়ে ফেলেন। আপ্নিও
যদি এই ধরনের হওন তাহলে নিজেই
কষ্ট পাবেন এবং বন্ধুদের বিরক্তি কর
মনে হবে।
বন্ধুরা আপনাকে নিয়ে মজা করতেই
পারে কিন্তু আপনি যদি এই
মজা কে সিরিয়াস ভাবে নেন
তাহলে বন্ধুরা আপনার
থেকে দূরে সরে জেতে বেসি সময়
নিবে না।

৩) অতিরিক্ত নেগেটিভ
চিন্তা ভাবনাঃ

বন্ধুরা আপনাকে দূরে সরিয়ে দেয়ার
একটা বড় কারন হচ্চে এটি!
অতিরিক্ত নেগেটিভ
চিন্তা ভাবনার
ফলে আপনি আপনার বন্ধুকে বিশ্বাস
করতে পারবেন না। জগরা কলহ
লেগেই থাকবে। এই অভ্যাসের
কারনে আপনি নিজেই আপনার
বন্ধুদের
থেকে আলাদা হয়ে যাবেন। তাই
অতিরিক্ত নেগেতিক
চিন্তা ভাবনা থেকে দূরে থাকুন।

৪) মানসিক আত্মনিয়ন্ত্রণ অভাবঃ

আপনি হটাত করেই রেগে জান?
এবং একটা সিন্ধান্ত
নিয়ে ফেলেন জদিও
এখানে ভুলটা আপনার। তাও
আপনি আপনার সিন্ধান্তে অটুট
থাকেন। আর সেখানেই মস্ত বড় ভুল
করে ফেলছেন আপনি। হয়ত সাময়িক
রাগের জন্য আপনাদের বন্ধুত্ত
কে চিন্ন করে দিলেন, কাচ আর
বন্ধুত্ব ভেজ্ঞে গেলে কখনই আগের
মতো করা যায় না। তাই রাগের
মাথায় কোনো সিন্ধান্ত নিবেন
না।

৫) ব্যথা এবং ক্ষতি মজুদ
করে রাখাঃ

আমরা অনেকেই
আছি যারা বেথা কষ্ট মজুদ
করে রাখি আমাদের অন্তরে। কিন্তু
আপনি কি জানেন যে বন্ধুর জন্য
আপনি বেথা পেয়ে জাচ্ছেন
তাকে সেটা বলাটা কত প্রয়োজন?
এর কারনে আপনি নিজেই হিন
মন্নতায় ভুগবেন আর নিজেই তাদের
থেকে আলাদা হয়ে জেতে চাইবেন।

৬) প্রথম দেখায় ই
মানুশকে চিনে ফেলাঃ

অনেকে আছেন যারা প্রথম
দেখাতেই একটা মানুস কে বিচার
করে ফেলেন। একটা মানুষের
ভালো মন্ধ কখনেওই প্রথম
দেখাতে বুজা যায় না।
অথবা বিচার করা যায় না।
আপনি সেই মানুষটার
সম্পরকে না জেনেই কারাপ মন্তব্ব
করলে সবাই ই আপনার
থেকে দূরে সরে যাবে। কারন
তারা আপনাকে চীপ ভাববে!

৭) অন্নের দোষ ত্রুটি ধরাঃ

আমাদের সবচেয়ে খারাপ অভ্যাস
হল আমরা নিজের চরকায় তেল
না দিয়ে অন্নের চরকায় তেল
দিতে বেশি পছন্দ করি। কিন্তু
আমরা এটা বুজতে চাইনা যে অন্নের
চরকায় তেল দিয়ে গিয়ে আমাদের
কাছের বন্ধুদের
হারিয়ে ফেলসি নিজের
অজান্তেই। তাই বন্দুদের দোষ
নিয়ে হাসি ঠাট্টা করবেন না।

৮) প্রতারনা,
কথা দিয়ে কথা না রাখাঃ

প্রতারনা সব কাজ গুলর
মধ্যে সবচেয়ে জঘন্ন কাজ। মানুষ
প্রতারনা কারিকে পছন্দ করে না।
যারা কথা দিয়ে কথা রাখে না বিশ্বাস
ঘাতকতা করে তাদের থেকে মানুষ
ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়।

৯) সত্য গোপন করা আর
মিথ্যা কথা বলাঃ

বন্দুদের সাথে নিজের
সম্পরকে মিথ্যা ইনফর্মেশন দেয়া,
এবং নিজের
দাম্ভিকতা বারানোর জন্য সত্য
গোপোন করে হয়ত আজ আপনি পার
পেয়ে যাবেন কিন্তু যখন
আপনি ধরা খেয়ে যাবেন তখন
আপনাদের বন্ধুত্ব আর কখনই আগের
মতো রইবে না। তাই নিজের
সম্পরকে অন্যকে সঠিক তথ্যটিই
জানান।

১০) একগুয়ে মনভাবঃ

আপনি নিজের
বিচারকে বেসি প্রাধান্ন দেন।
নিজের ভালতাই বেশি বুজেন।
একগুয়ে মনভাবের
কারনে আপনাকে মানানো অনেক
কঠিন! আপনাকে মানাতে সবাই হয়ত
আজ অনেক চেস্টা করবে, কাল ও
করবে কিন্তু পরসুদিন ঠিক ই
তারা আপনাকে ছেরে চলে যাবে।
তাই সবার সাথে মেলামেশা করুন।
নিজের থেকে অন্নের কথার
প্রাধান্য বেশি দিন।

শান্ত থাকুন এবং ভালো ব্যাবহার করুন।

আশা করি আপ্নারা সবাই
আপনাদের বন্ধুদের
নিয়ে লাইফকে অন্য এক লেভেল এ
নিয়ে গেছেন! সবাই আনন্দে থাকুন,
ও সুস্থ থাকুন!

Read More

ক্রিশ্চিয়ানা রোনালডোকে গর্ভেই নষ্ট করতে চেয়েছিলেন তার মা।

By

রোনাডো যখন তার মায়ের
গর্ভে তখন তার ভ্রুনকে নষ্ট
করতে চেয়েছিলেন তার
মা ডলারস এ্যাভাইরো কিন্তু
ডাক্তারের অনুমতি না পাওয়ায়
তিনি গর্ভপাত করতে পারেননি।
যার ফলে তিনি বিমর্ষ
হয়ে এ্যালকোহল খেতে থাকেন
যতক্ষণ পর্যন্ত না তিনি মাতাল
হয়ে মাটিতে পড়ে যান।
তিনি আত্নজীবনীমূলক বই
প্রকাশকালে বার বার চোখ
মুছতে মুছতে এসব কথা বলেন।
রোনালডো তখন তার
পাশে ছিলেন
এবং মজা করে বলেন
মা তুমি তো চাওনি যে আমি পৃথিবীতে আসি এখণ
দেখ আমি কত বড়ো হয়েছি। উল্লেখ্য
রোনালডো চার ভাই-বোনের
মাঝে সবার ছোট।

Read More
Home About-us Privacy Policy Contact-us Services
Copyright © 2014 kite | All Rights Reserved. Design By Templateclue - Published By Gooyaabi Templates