Home About-us Privacy Policy Contact-us Services

টিপস এন্ড ট্রিকস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
টিপস এন্ড ট্রিকস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

নাম ছাড়া ফোল্ডার করে তৈরী এবার অবাক করুন বন্ধুদের___Brand_Taher

By
আমরা অনেকেই বন্ধুদের সাথে মজা করার জন্য বিভিন্ন কিছু করি তাই এবার মজা করুন নাম ছাড়া ফোল্ডার তৈরী করে
কিভাবে করবেনঃ
প্রথমে নিউ ফোল্ডার তৈরী করে
তারপর alt চেপে ধরে 0160 চাপুন  এবং alt ছেড়ে দেন দেখেন নাম ছাড়া ফোল্ডার  করে তৈরী হয়ে গেছে।
সবাইকে ধন্যবাদ আমার জন্য দোয়া করবেন
আল্লাহ হাফেজ আবার দেখা হবে নতুন কিছু নিয়ে ইনসাআল্লাহ।
Read More

আজ থেকে mouse এর কাজ keyboard দিয়ে করুন

By
আসসালামু আলাইকুম
আশা করি সবাই আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে ভালো আছেন।
আজ আমি আপনাদের সাথে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, আপনারা হয়তো এতক্ষণে বুঝে গেছেন।
তো কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় আসি।
  • এই কাজটি করার জন্য প্রথমে start বাটন এ ক্লিক করুন।
  • আপনি এখানে অনেক গুলো অপশন দেখতে পাবেন।
  • তার মধ্য থেকে আপনি control panel এ ক্লিক করুন।
  • এখানেও আপনি অনেক গুলো অপশন দেখতে পাবেন ,তার মধ্য থেকে আপনি accecibility options এ ক্লিক করুন।
  • দেখবেন যে আপনার সামনে একটি বক্স open হয়েছে।
  • এই বক্স এর মধ্যে আপনি 4-5 টা ট্যাব দেখতে পাবেন।এখন আপনি মাউস ট্যাবে ক্লিক করুন।
  • এখানে use mouse key লেখার বাম পাশে টিক চিহ্ন দেওয়ার জন্য একটি বক্স দেখতে পাইছেন,তাতে টিক চিহ্ন দেন।
  • কাজ শেষ।
  • এবার আপনি keyboard এর ডান পাশের 123456789 এই button গুলো টিপ দেন।
    mouse_and_kb02
    mouse_and_kb02
  • দেখবেন যে কাজ করতেছে।যদি কাজ না করে তাহলে num lock বাটন এ চাপ দিন।
  • এবার দেখবেন কাজ করতেছে।
যদি না বুঝেন তাহলে এই ভিডিওটি দেখতে পারেন।
একই সাথে প্রকাশিত এখানে
ইচ্ছে হলে আমার সাইট থেকে ঘুরে আসতে পারেন।
Read More

দুই ক্লিক এ ১০০ বারের বেশি Refresh করুন

By


আসসালামু আলাইকুম
আশাকরি আল্লাহর অশেষ রহমতে সবাই ভাল আছেন।
আজ আমি আপনাদের সাথে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, তা আপনারা এতক্ষনে বুঝে গেছেন।
আমার এই টিউনটি যারা জানেনা তাদের জন্য।আর যারা জানেন,আমার ভূল হলে আপনারা ক্ষমার চোখে দেখবেন।
তো কথা না বাড়িয়ে কাজের কথায় আসি।
আমরা জানি যে কম্পিউটার open করার পর আমাদেরকে বার বার Refresh করতে হুয়।
যাতে করে আমাদের কম্পিউটার স্পিড় ভালো থাকে,কম্পিউটার হাং না করে।
আর এ জন্য আমাদেরকে বার বার Refresh করতে হয়।
কিন্তু আমি আজ আমি আপনাদেরকে এমন একটি টিপস দিব,যার সাহাজ্যে আপনাদেরকে বার
বার Refresh করতে হবেনা, যদি আমার এই ট্রিক ফলো করেন।
*প্রথমে কম্পিউটারের Desktop এ গিয়ে মাউস এর উপর হাত রেখে Right বাটন এ ক্লিক করেন।
*তারপর new লিখার উপর ক্লিক করেন
*তারপর Shortcut লিখার উপর ক্লিক করেন।
*ক্লিক করার পর দেখবেন একটি বক্স open হয়েছে।
*বক্স এর মধ্যে আপনি tree লিখে next button ক্লিক করেন।
*xp হলে next দিয়ে finish দিবেন।আর  windows 7 হলে finish দেন।
এখন আপনি আপনার desktop এ দেখবেন একটি Shortcut এসেছে।
আপনি Shortcut লিখার উপর  ৪ থেকে ৫ বার duboll click করেন।তাহলে আপনাকে বার বার  Refresh করতে হবেনা।
যদি কোনো ভুল হয় তাহলে ক্ষমার চোখে দেখবেন।
একই সাথে প্রকাশিত এখানে
ইচ্ছে হলে ঘুরে আসতে পারেন আমার সাইট থেকে।
Read More

দেখে নিন উইন্ডোজ ৮ কিছু শর্টকার্ট কী……….

By
আপনারা অনেকেই উইন্ডোজ ৮ ব্যাবহার করছেন আবার অনেকেই এর ব্যাবহার প্রনালি না বুজার কারনে ব্যাবহার করছেন না তবে আমরা সবাই জানি এক্সপি বা ৭ যাই বলি উইন্ডোজ ৮ এর আলাদা একটা মজা কিন্তু আছে থাকলে আর কি হবে বলেন আপনি যদি তা উপভোগ করতে না পারেন,আজ থেকে শুরু হোক আপনার উইন্ডোজ ৮ দিএ পথচলা।
এই পথচলাকে সহজ করতে আমার আজকের পোস্ট আশা করি ভাল লাগবে চলুন আজকের পোষ্টের দিকে ফেরা যাক, আজ আমরা উইন্ডোজ ৮ এর কিবোর্ড দ্বারা সহজে কি কাজ করা যায় তা জানবো অর্থাৎ কি বোর্ড শর্টকাট গুলো জানব আশা করি ভাল লাগবে।
Screenshot.34094.1000000
Windows logo key+spacebar Switch input language and keyboard
layout
Windows logo key+O Locks device orientation
Windows logo key+Y Temporarily peeks at the desktop
Windows logo key+V Cycles through toasts
Windows logo key+Shift+V Cycles through toasts in reverse order
Windows logo key+Enter Launches Narrator
Windows logo key+PgUp Moves Metro style apps to the monitor on the left
Windows logo key+PgDown Moves Metro style apps to the monitor on the right
Windows logo key+Shift+. Moves the gutter to the left (snaps an application)
Windows logo key+. Moves the gutter to the right (snaps an application)
Windows logo key+C Opens Charms bar
Windows logo key+I Opens Settings charm
Windows logo key+K Opens Connect charm
Windows logo key+H Opens Share charm
Windows logo key+Q Opens Search pane
Windows logo key+W Opens Settings Search app
Windows logo key+F Opens File Search app
পরে আবার দেখা হবে অন্য এক টিউন এ ।
Read More

Windows 8.1 ব্যবহার করেন? দেখে নিন কিভাবে পিসি’র গতি বাড়াবেন (১০০% কার্যকর!!)

By
আজকে উইন্ডোজ ৮.১ আপডেট (*) এর জন্য কিছু টিপস শেয়ার করছি, যেগুলো অতি অবশ্যই আপনার পিসি'র গতি বৃদ্ধি করবে।
Windows 8 টাচ ভিত্তিক ডিভাইসের ওএস এর স্থান দখল করতে মাইক্রোসফট এর সুপরিকল্পিত আক্রমণ। এর মডার্ন ইন্টারফেস বা মেট্রো ইউআই অনেকেরই পছন্দের। তবে উইন্ডোজ ৮.* মাইক্রোসফট এর আগের যে কোন ভার্সন এর চেয়ে অনেক দ্রুত গতির। তবে malware এবং অন্যান্য দুর্বলতার হাত থেকে সিস্টেমকে প্রটেক্ট করতে এর রয়েছে নিজস্ব এন্টিভাইরাস WINDOWS DEFENDER, যা স্বভাবতই উইন্ডোজ ৭ এর built in antivirus হতে অনেক কার্যকরী ।কিন্তু এই বিল্ট ইন এন্টিভাইরাস এবং অনেক আকর্ষণীও Appearance ধিরে ধিরে পিসি'র গতি কমাতে শুরু করে। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে এই গতি অপরিবর্তিত রাখা যায়। সেকরম কিছু ট্রিক শেয়ার করতে চেষ্টা করব আজকে।

উইন্ডোজ ৮.১ স্টার্ট
  • উইন্ডোজ ৮.১ বা ৮ এর বিল্ট ইন এন্টিভাইরাস নিঃসন্দেহে অনেক কার্যকরী। তবে যেকোনো malware কিল করতে  অন্যান্য এন্টিভাইরাস (নির্দিষ্ট কিছু)অপেক্ষা বেশি সময় নেয়। পাশাপাশি বাড়তি সিস্টেম রিসোর্স ব্যবহার করে। এক্ষেত্রে Eset,AVG,Malwarebytes antimalware ইত্যাদি লাইট ওয়েইট এন্টিভাইরাস। বিশেষত কম সিস্টেম রিসোর্স ব্যবহার অধিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য Eset nod32/ Eset smart security বেশ পরিচিত।  
  • এই লিঙ্ক থেকে Eset nod32 ডাউনলোড করা যাবে। কী এর জন্য tnod activator ডাউনলোড করুন এখান থেকে।
নতুন কোন এন্টিভাইরাস ইন্সটল করলে Windows defender সাথে সাথেই বন্ধ হয়ে যায়। তবে ম্যানুয়ালি-ও আপনি কাজটি করতে পারবেন। এভাবেঃ
Keyboard এর উইন্ডোজ লোগো কী + S চাপুন। স্ক্রিন এর ডান পাশে সারচ বক্স আসলে  লিখুন defender.ব্যাস Windows defender হাজির! ক্লিক করুন।
এবার বাম পাশের Administrator এ ক্লিক করে Use this program এর টিক চিহ্ন তুলে দিন। Save  এ ক্লিক করুন। এবার বন্ধ হলে অন্য লাইট ওয়েইট এন্টিভাইরাস ইন্সটল করুন।
  • আগেই বলেছি উইন্ডোজ এইট এর সুন্দর Appearance পিসি'র গতি স্লো করে দেয়। তাই এই Appearence customize করলে ভাল গতি পাওয়া সম্ভব।
এর জন্য "This PC" তে রাইট ক্লিক করে properties এ যান। Change settings--->
Advanced tab এ যান। এবার settings এ ক্লিক করুন। অপ্রয়োজনীয় আইটেম বিশেষত enable peek,fade or slide menus into view,fade or slide tooltips into view,save taskbar thumbnails,slide open combo boxes প্রভৃতি আনচেক করুন। Apply করে ok করুন।

  • এবার পিসি' র স্টার্টআপ আইটেম কমিয়ে দিন। টাস্ক ম্যানেজার ওপেন করে (CTRL+ALT+DEL-->Task manager) startup থেকে এন্টিভাইরাস বাদে অপ্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম Disable করে দিন।

  • পিসি ডেফ্রাগ করলে পিসি'র গতি অনেকটা বৃদ্ধি পায়। এক্ষেত্রে উইন্ডোজ এর বিল্ট ইন Defragment Tool (Hard disk-->right click-->Properties-->>Tools-->>Optimize) এর চেয়ে IObit er Smart defrag অনেক ভাল কাজ করে। এই সফটটি নিয়ে আমার টিইন টি দেখতে পারেনঃ এখানে

  • Windows 8 বা ৮.১ এ আপনি যখন কোন অ্যাপ বন্ধ করেন, তা আসলে বন্ধ হয় না। র‍্যাম খরচ করে। টাস্ক ম্যানেজার থেকে এগুল সিলেক্ট করে বন্ধ করে দিন।

  • উইন্ডোজ এইট এ ইন্টারনেট এর গতি নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন নি, এমন মানুষ কমই পাওয়া যাবে। উইন্ডোজ এর অটো আপডেট বন্ধ করে, উইন্ডোজ এর প্রিযারভ করা bandwidth ব্যবহার করে গতি বাড়ান যায়।
অটো আপডেট বন্ধ করতেঃ
কী বোর্ড এর + S চেপে সারচ বক্সে লিখুন update. তারপর ক্লিক করুন Windows update settings। তারপর সেখান থেকে অটো আপডেট বন্ধ করে দিন।

উইন্ডোজ এর প্রিযারভ করা bandwidth ব্যবহার করে নেট এর গতি বাড়াতেঃ  এই টিউনটি দেখুন।  উইন্ডোজ ৮ এ ৮০% bandwidth প্রিযারভ করা থাকে। ভাবা যায়! এমনিতেই নেট স্পিড এর যা অবস্থা!
যাই হোক, এতক্ষন বক বক করে যদি আপনার পিসি' র গতি একটু হলেও বাড়াতে পারি, তাহলেই আমি সার্থক। প্রত্যেক্টি টিপস আমি নিজে পরিক্ষা করে লিখেছি। তাই আমি ১০০% নিশ্চিত। আর সময় থাকলে টিউমেন্ট বা কমেন্ট করতে ভুলবেন না।
Read More

আপনার মেমোরি কার্ড/পেনড্রাইভ এ বহন করুন তিনগুন ডাটা

By
হাঁ ঠিক ই দেখেছেন। আজ আমি আপনাদের কাছে এমন একটি টিপস শেয়ার করব যার মাদ্ধমে আপনি আপনার ৪ জিবি মেমোরি কার্ড/পেনড্রাইভ এ ৪x৩=১২ জিবি, ৮ জিবি মেমোরি কার্ড/পেনড্রাইভ এ ৮x৩=২৪ জিবি, ১৬ জিবি মেমোরি কার্ড/পেনড্রাইভ এ ১৬x৩= ৪৮ জিবি অর্থাৎ আপনার মেমোরি কার্ড/পেনড্রাইভ  এর ধারন ক্ষমতা শক্তির তিন গুন বেশি ডাটা বহন করতে পারবেন।
নেটে মেমোরি কার্ড/পেনড্রাইভ এর স্থান বৃদ্ধি করার অনেক সফটওয়ার পাওয়া যায়। যে গুল দ্বারা শুধু দেখতে পাওয়া যাই যে জাইগা বৃদ্ধি হয়েছে কিন্তু ডাটা পরিবহনে সক্ষম হয় না।
যাই হোক এবার তাহলে চলে যাই আসল বিষয়ে। আপনাকে যা যা করতে হবে তা তা আমি কয়েকটা ধাপে নিচে দেখালাম।
১/ আপনার মেমোরি কার্ড/পেনড্রাইভ টি কে প্রথমে NTFS এ ফরম্যাট করে নিন। তারপর আবার FAT-32 এ ফরম্যাট করুন।
২/ এবার আপনার মেমোরি কার্ড/পেনড্রাইভ টি তে ডাটা লোড করুন ফুল করে।
৩/ মেমোরি কার্ড/পেনড্রাইভ টি ফুল হয়ে গেলে সব ডিলিট করে দিন। [মনে রাখবেন ডিলিট করতে হবে ফরম্যাট না]
৪/ এই ভাবে তিনবার ফুল করে লোড করুন এবং সব ডিলিট করুন।
৫/ এই বার 7 Data Card Recovery নামক সফটওয়ার টি ডাউনলোড করুন। এবং ইন্সটল করুন।

৬/ এইবার সফটওয়ারটি ওপেন করলে ঠিক এই রকম উইন্ডো আসবে।
৭/ এখানে আপনার মেমোরি কার্ড/পেনড্রাইভ টি নির্বাচন করে নেক্সট বাটন ক্লিক করুন। এবং স্ক্যান শুরু করুন। স্ক্যান করা শেষ হলে আপনার সব ফাইল গুলো দেখতে পাবেন। এইবার সব নির্বাচন করে সেভ দিন।
[টিউন টি ১০০% পরিক্ষিত, আমি নিজে চেষ্টা করেছি এবং সফল হয়েছি। কারো কিছু বলার থাকলে বা সমস্যা হলে কমেন্ট করুন]
ভালো থাকুন, আবার দেখা হবে পরবর্তী টিউনে। সেখানে নতুন কিছু নিয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করব।
Read More

এন্ড্রয়েড অ্যাঁপ হটাত না চললে ??? যারা জানেনা তাদের জন্য

By
এখনকার স্মার্টফোন যেন ছোটখাটো একটি কম্পিউটারই। অন্য সব কম্পিউটারের মতো স্মার্টফোনেও মাঝেমধ্যে এটা-সেটা ঠিকমতো করতে পারে না। ফাইল নষ্ট হয়ে যায় বা খোলা যায় না এমন।
 যে অ্যাপ হয়তো এক সপ্তাহ আগেও চলছিল মসৃণভাবে, পরে দেখা গেল সেটা আর কিছুতেই চালানো যাচ্ছে না।

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত স্মার্টফোনে কোনো অ্যাপ যদি হঠাৎই কাজ না করে এবং অ্যাপটি যদি বন্ধ করে আবার চালিয়েও কিছু না হয়, তাহলে অ্যাপের ক্যাশ মেমোরি মুছে একটা সমাধান বের করা যেতে পারে।
কাজটা করতে হলে অ্যান্ড্রয়েড ফোনের সেটিংস অ্যাপ খুলতে হবে। সেটিংস থেকে ডিভাইস অংশের নিচে থাকা অ্যাপস অপশনটি চাপতে হবে। এখান থেকে যে অ্যাপটি সমস্যা করছে, সেটি খুঁজে বের করুন।

পর্দার বাঁয়ে বা ডান দিকে টেনে ডাউনলোডেড, এসডি কার্ড, রানিং অথবা অল—এই কয়টি বিভাগে অ্যাপগুলো পাওয়া যাবে। নির্দিষ্ট অ্যাপটি চাপলে অ্যাপ ইনফো নামে একটি পর্দা আসবে। এখানে অ্যাপের কারিগরি বর্ণনা থাকবে। যেমন: অ্যাপের সংস্করণ, অ্যাপটি কতটুকু জায়গা দখল করে আছে ইত্যাদি। একটু নিচে ক্যাশ অংশে ক্লিয়ার ক্যাশ বোতামটি চেপে ওই অ্যাপের ক্যাশ মেমোরি মুছে দিন।

সবশেষে আবার মূল পর্দায় ফিরে গিয়ে অ্যাপটি চালু করে দেখুন। যদি না চলে, তাহলে সেটিংসে গিয়ে অ্যাপ ইনফো থেকে ক্লিয়ার ডেটা এবং ক্লিয়ার ক্যাশ—দুটিই চেপে দিন। এর পরও যদি কাজ না করে, তবে সেটি আনইনস্টল করে গুগল প্লে স্টোর থেকে নামিয়ে আবার ইনস্টল করে নিন।
কার্টেসিঃ মঈন চৌধুরী
সুত্রঃ প্রথম আলো
Read More

খুব সহজে কম্পিউটারের স্পীড বাড়িয়ে নিন একটি মাত্র সফটওয়্যার Powersuite দিয়ে ।

By
কম্পিউটার কিছু দিন চালানোর পর একটি জিনিস লক্ষ্য করা যায় যে, কম্পিউটারটি আর আগের মত ফাস্ট নেই। স্লো হয়ে গেছে। অনেক সময় এটা বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কম্পিউটারকে সাময়িক সময়ের জন্য ফাস্ট করতে আমরা run এ গিয়ে tree,temp কত কিছুই না করি। আবার এতে কাজ না হলে নানা সফটওয়্যার এর সাহায্য নেই, যেমন, Advance System care, speedUpmypc ইত্যাদি। কিন্তু এতেও কাজ না হলে বিরক্তিতার মাত্রা পার হয়ে গেলে তখন উইন্ডোজ সেটাপ দেই। কিন্তু তা অনেক ঝামেলার। কত কিছুর ব্যাকআপ নিয়ে সেটাপ অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। 
তাই, এই সমস্যার সমাধান খুজতে গুগল করে SpeedUpmypc সফটওয়্যার পেলাম ফুল ভার্সন। তো Install দিয়ে Scan করলাম। কিছুটা ফাস্ট হল মনে হচ্ছে। কিন্তু scan শেষে ওই সফটওয়্যারটি অরেকটা সফটওয়্যার Suggest করছে, নাম Powersuite । তো আর কথা না বাড়িয়ে ডাউনলোড করে নিন সফটওয়্যার টি ।
Torrent File Or Download Link
ডাউনলোড শেষে Install করুন।
Serial Key : SP-58ZWC-DRZYQ-G4VZQ-67JTY-54827-CEBLX
এবার একনজরে দেখে নেয়া যাক ফিচারগুলো
Powersuite Scan:
PowerSuite
PowerSuite Deep Scan:
Powersuite Scan
Live Speed Tools
Live Speed Tools
PC Optimization
PC Optimization
একবার Scan করে সব Error Fix করে দেখেন তো আগের থেকে স্পীড বাড়ছে কিনা আপনার কম্পিউটারের!
বিঃদ্রঃ যদি মনে হয় যে সফটওয়্যারটি স্লো হয়ে গেছে, তাহলে একবার Scan করে Error fix করে  সফটওয়্যারটি Uninstall করে দিতে পারেন।
আজ এই পর্যন্তই, টিউনটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
Read More

আপনার প্রিয় ল্যাপটপ কে অতিরিক্ত গরম হওয়া থেকে রক্ষা করুন ।

By
শীত পেরিয়ে গরমের সময় চলেই এসেছে। এরই মাঝে দিনের বেলা ৩০-৩২ ডিগ্রি তাপমাত্রা উঠে যাচ্ছে, সামনে গরম আরও বাড়বে। এই আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে না না সমস্যার একটি হচ্ছে ল্যাপটপের তাপমাত্রার দিকে খেয়াল রাখতে ভূলে যাওয়া।
শীতকালে ঠান্ডা আবহাওয়ার ফলে ল্যাপটপ কুলিং নিয়েও সমস্যা তেমন হয়না, তবে গরমে বারটা বাজতেও দেরী হয়না। চলুন দেখি কিভাবে ঠান্ডা রাখবেন আপনার যত্নের ল্যাপটপটি।
হয়ত ভাবছেন প্রথমেই আসবে বিছানায় রেখে না চালানো, বা কুলার ব্যবহার। কিন্ত না, আমি এখানে আমার ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতার থেকেই কিছু নতুন কথা আপনাদের বলতে চেষ্টা করবো এ ব্যাপারে।
১। ল্যাপটপটি বিছানায় রেখে চালানো থেকে আসলে কেউ আপনাকে বাধা দিতে পারবেনা, যদি না আপনি খুব সাবধানী ব্যাক্তি হন। সত্যি করে বললে আসলে আমরা ল্যাপটপ কিনিই অনেকটা বিছানায় আরাম করে ব্যবহার করবো বলে। অতএব, যেহেতু বিছানায় রাখা কেউ ঠেকাতে পারবেনা, আমরা উল্টো দিকেই যাই। বিছানায় যদি ব্যবহার করেনই:
  • ভূলেও বালিশের বা কম্বলের মত জিনিষে ওপর রাখবেন না। অসমান যায়গা বা কাপড়-চোপরের ওপর তো নয়ই। খেয়াল রাখবেন যেন ফ্যানের ভেন্ট খোলা থাকে।
  • অবশ্যই সম্ভব হলে কুলারের ওপর রাখুন, বিশেষ করে ভারী কাজ করবার সময়। এতে বিছানায় রাখার ফলে যে গরম জমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে তা অনেকটাই কেটে যায়।
২। ল্যাপটপটি পরিস্কার করুন। শুধু ব্লোয়ার দিয়ে ধুলা পরিস্কারই নয়, নিজে বা অভিজ্ঞ কাউকে দিয়ে ল্যাপটপের ফ্যান, হিট সিঙ্ক খুলে পরিস্কার করিয়ে নিন। ওপরের ধুলা পরিস্কার করলে আপনার ল্যাপটপের কুলিং এর তেমন উন্নতি হবেনা কিন্তু এতে দেখতে পাবেন অনেক পরিবর্তন হয়েছে।
৩। ল্যাপটপ এভাবে পরিস্কার করার পর থার্মাল পেস্ট ও বদলে নিন। এটি আপনার প্রসেসর, জিপিউ ও চিপসেটের থেকে হিট সিঙ্কে তাপ পরিবহন করতে বিশাল ভূমিকা রাখে, এর প্রয়োজনীয়তা বলে শেষ করা যাবেনা। তবে মজার ব্যাপারটি হচ্ছে এটি বেশ সহজলভ্য, আপনার পরিচিত দোকান থাকলে বিনামূল্যেই পেতে পারেন এটি। আর যদি কিনতেই হয়, তাহলে একেবারে সেরাটিরই তাম পড়বে ১০০০-১২০০ টাকা। তবে এতে যে পরিমাণ পেস্ট পাবেন তা ৫-৬ বার ব্যবহার করা যাবে, তাই ৩-৪জন মিলে কেনা শ্রেয়।
৪। বাংলাদেশের কচ্ছপগতির ইন্টারনেটের ফলে আমরা প্রায়ই যা করি তা হচ্ছে ডাউনলোড দিয়ে ল্যাপটপের ডিসপ্লে নামিয়ে রাখা। ল্যাপটপ পুড়ে যাওয়ার মূল কারণ এটি। আমরা অনেকেই জানিনা যে ল্যাপটপের কিবোর্ড দিয়েও বেশ অনেকটা হিট বেড়িয়ে যায়। অতএব, বেশী গরমের মাঝে ভূলেও এভাবে ডাউনলোড করবেন না – দরকার হলে ডিসপ্লে অফ করে লিড উঠিয়ে রাখুন। এই টিপস টি বিশেষ করে মেনে চলতে হবে ম্যাক ব্যবহারকারীদের – আমার নিজের ম্যাকবুকের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি।
৫। ল্যাপটপে যদি রেডিওন বা জিফোর্স জিপিউ থাকে, তাহলে সেটি বন্ধ রাখুন প্রয়োজনের বাইরে। ড্রাইভারের সেটিংস থেকে এটি করা সম্ভব। এতে প্রায় ৫০-৬০% কম গরম হবে ল্যাপটপটি। একই ভাবে হাই পারফর্মেন্স মোড ব্যবহার না করে ব্যালেন্সড বা পাওয়ার সেভিং মোড ব্যবহার করুন।
এর পরও, ৩৫-৩৯ ডিগ্রী তাপমাত্রার দিনে ল্যাপটপ পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক। সে ক্ষেত্রে কিছু অ্যাপ যেমন স্পীড ফ্যান  বা ম্যাকের জন্য ফ্যান কন্ট্রোল  ব্যবহার করে তাপমাত্রার দিকে নজর রাখুন, প্রয়োজনে বেশী গরম হয়ে গেলে অটো শাটডাউন অন করে নিন। অন্তত আপনার ল্যাপটপটি থাকবে নিরাপদে।
Read More

ফেসবুক অটোলাইক, বিনোদন এবং ঝুঁকি!!!

By
অটোলাইক! ফেসবুকে এখন চলছে অটোলাইকের যুগ! দু বছর আগেও শুধুমাত্র “সুন্দরী” মেয়েদের প্রোফাইলেই দেখা যেতো লাইকের বন্যা! তবে এখন অটোলাইকের সাহায্য সুন্দর, কুৎসিত , ছেলে কিংবা মেয়ে অথবা ফেইক আইডি, সর্বত্রই লাইকের বন্যা আমরা দেখতে পাই। এ জন্যই গত কুরবানী ঈদে ফুয়াদ ফিচারিং মোজোর একটি গানের লাইন ছিলো “বান্দরের ছবিতেও লাইক পড়ে লাখ লাখ!”

কি এই অটোলাইক?

> অটোলাইক মানে অটোমেটিক লাইক। যখন কোনো ফেসবুক ইউজার তার আইডি থেকে নিজে নিজেই (অটোমেটিক) অন্যদের স্ট্যাটাসে লাইক দিয়ে বেড়ান তাকে অটোলাইক বলা হয়। এর জন্য উক্ত ফেসবুক ইউজারকে একটি বিশেষ ফেসবুক এপপ ব্যবহার করতে হয়। ঠিক তেমনি ভাবে সেই বিশেষ ফেসবুক এপপ ব্যবহারের কারণে উক্ত ব্যবহারকারীও তার নিজের স্ট্যাটাস, ফটো ইত্যাদিতে অন্যের অটোলাইক পেয়ে থাকেন। এই অটোলাইকের সংখ্য কমপক্ষে ৫০ থেকে কয়েক লক্ষ পর্যন্ত হতে পারে।

অটোলাইক ড্রাগের মতো!

অটোলাইক নেবার পদ্ধতিঃ

প্রথমে আপনাকে একটি ফেসবুক এপপ ব্যবহার করতে হবে। সেটি ইন্সটল করে নিন যেকোনো অটোলাইকের পেজ থেকে।
> তারপর আপনার মোবাইল থেকে অটোলাইকের পেজে যান। টোকেন সংগ্রহ করুন এবং অটোলাইক নিয়ে নিন।

এপপ ফেসবুকে ইন্সটল করার পর টোকেন সংগ্রহ করুন

টোকেন পেজ!

টোকেনটি কপি করুন।

আবারো অটোলাইকের পেজে যান

টোকেন টি পেষ্ট করে লগ ইন করুন

ক্যাপচা পূরণ করতে হবে

এক এক সাইটে এক এক ধরণের ক্যাপচা আসবে


লগ ইন হলো!

এবার স্ট্যাটাস, ফটো, প্রোফাইল পিক ইত্যাদিতে লাইক নেওয়া শুরু করুন

অনেকগুলো সাইট ব্যবহার করতে পারেন বেশি লাইক পাবার জন্য

এরর পেজ আসলেই বুঝবেন কাজ হয়ে গেছে! এবার আপনার আইডি চেক করুন।

জাদু দেখুন! ৫০ মিনিটে ১৪০০+ লাইক!

এরা সেকেন্ডে ২০০টি লাইক জেনারেট করতে পারে!
কখনোই পিসি থেকে অটোলাইক নিতে যাবেন না। হ্যাক হবার চান্স বেশি পিসি থেকে।
অটোলাইক নেবার ফলে উক্ত ব্যবহারকারীর মনে এক প্রকার আনন্দের সৃষ্টি হয়, যা নেশার মতো। ড্রাগ নেওয়ার পর যেমন পুলকিত হওয়া যায় কিন্তু ড্রাগ নেবার ফলে ক্ষতিও যেমন বেশি হয় ঠিক তেমনি অটোলাইক এপপ ব্যবহার করার ফলে আপনার ফেসবুক আইডির যেকোনো ধরণের ক্ষতি হতে পারে।
>  সবচেয়ে প্রথম ক্ষতি হয় তা হলো আপনার আইডি থেকে স্প্যাম যাবে ফেসবুকের গ্রুপে গ্রুপে, আপনার ফ্রেন্ডলিষ্টের বন্ধুদের টাইমলাইনে , বন্ধুদের চ্যাটে এমনকি আপনার ফেসবুকের পেজেও! যা আপনার রেপুটেশনকে গুড়িয়ে দেয়!

এভাবেই আপনার আইডি থেকেও স্প্যাম ছড়িয়ে পড়বে!
> অটোলাইক জেনারেটর সিস্টেম টি টোকেন নির্ভর। আর সেই টোকেন সংগ্রহ করতে গিয়ে আপনি নিজের অজান্তেই আপনার আইডির পাসওর্য়াডও দিয়ে দিচ্ছেন! তাই আপনার আইডি হ্যাকিং এর মুখে পড়তে পারে
> আর নিশ্চিত সমস্যা হতে পারে যেটি সেটি হলো, আপনার আইডি অবশ্যই লক হবে, মানে ফটো ভেরিফিকেশনের ঝামেলায় আপনাকে অবশ্যই পড়তে হবে!
> আর আপনার আইডিতে যদি ফ্রেন্ড থাকে ৫০ জন এবং ফলোয়ার থাকে ৭ জন কিন্তু আপনার স্ট্যাটাসে আপনি অটোলাইক দিয়ে নিয়ে নিচ্ছে হাজার খানেক লাইক তাহলে তো আপনার ইজ্জতের তুলাধুনা হয়ে গেলো!
তাই অটোলাইক ব্যবহার না করাই উত্তম! তারপরও যারা অটোলাইক ব্যবহার করেই যাবেন এবং নতুন যারা অটোলাইক ব্যবহার করতে ইচ্ছুক তাদের জন্য আমার কটি টিপসঃ
> আপনার আইডিকে শক্ত পক্ত ভাবে গড়ে তুলুন
> সিকুরেটি কোয়েশ্চন ব্যবহার করুন
> অবশ্যই আপনার আইডিতে আপনার মোবাইল নাম্বার দিয়ে রাখুন। এতে আইডি লক হলে ফেরৎ পাওয়া যাবে মাত্র দু মিনিটে
> আর সবচেয়ে আবশ্যয়িক ব্যাপার হলো, আপনার আইডিকে আপনার ন্যাশনাল ভোটার আইডি কার্ড দিয়ে সর্বোচ্চ সুরক্ষিত করে রাখুন তারপর অটোলাইক, অটোবাশ যেইটা খুশি সেইটা ব্যবহার করতে পারেন। কারণ এরপর আইডি লক, হ্যাক কিংবা আপনার আইডিতে এটোম বোম এমনকি নিউক্লিয়ার বোম পড়লেও আইডি আপনি ফেরত পেয়ে যাবেন চোখের পলকে।

 নিরাপদ কটি অটোলাইকের সাইট: (অন্য সাইট ব্যবহার করে হ্যাকায়িত হবে না :p )

autolike.cz

www.mg-likers.com
djliker.com
fb-autolikers.com
likeslo.net
fbinstantlikers.com
machineliker.com
fblikess.com
myfbliker.org
royaliker.net
এতো গেলে শুধু অটোলাইক, আরো আছে অটোকমেন্ট, অটোফলোয়ার, অটোফ্রেন্ড, অটোপোষ্টার সহ আরো অনেক কিছু। সেগুলো অতি এডভান্সড ইউজারদের জন্য!

বিঃদ্রঃ এই টিউন পড়ে উৎসাহিত হয়ে কেউ যদি অটোলাইক ব্যবহার করতে গিয়ে তার আইডি লক/ব্লক/হ্যাক সমস্যায় পড়েন তাহলে এই ব্লগ এবং টিউনার গেমওয়ালা দায়ী থাকবে না, নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করুন! (যদি ব্যবহার করতে চান)

ধন্যবাদ!
Read More

আপনার প্রিয় ল্যাপটপে কী খুব তাড়াতাড়ি চার্জ শেষ হচ্ছে ? তাহলে দেখে নিন সমাধান ।

By
আপনার হাতে একগাদা কাজ। অথচ, হঠাৎ করে ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে গেছে। কাছাকাছি কোন পাওয়ার সকেটও নেই, যেখান থেকে ল্যাপটপটি চার্জ দিয়ে নিতে পারেন। ল্যাপটপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের এ ধরনের সমস্যায় হরহামেশাই পড়তে হয়। দুশ্চিন্তার কারণ নেই। কারণ, ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত করার কিছু সহজ সমাধান রয়েছে। ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের উচিত এ বিষয়গুলোকে দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করে নেয়া। তা হলে আর অনাকাঙ্খিত বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না।
নিচে সহজ ৬টি টিপস দেয়া হলো:
১. ডিসপ্লে: মোবাইলের মতো ল্যাপটপ স্ক্রিনও বেশি পাওয়ার ব্যবহার করে। সে কারণে স্ক্রিনের ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা চোখের জন্য সহনীয় মাত্রায় যতোটা কমিয়ে ব্যবহার করা যায়, ততোটাই ভালো। যদি আপনার কিবোর্ডে ব্যাকলাইট থাকে, তবে সেটিও সেটিংস থেকে বন্ধ করে দিন। এতে ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত হবে।
২. এক্সটার্নাল ডিভাইস: ল্যাপটপের ইউএসবি পোর্টে যে কোন ধরনের এক্সটার্নাল ডিভাইস চালু থাকলে, তা আপনার ল্যাপটপ থেকে অনবরত পাওয়ার টানতে থাকবে। এক্সটার্নাল ডিভাইসটির কাজ শেষ হয়ে গেলে, সেটি ইউএসবি পোর্ট থেকে খুলে ফেলার অভ্যাসই শ্রেয়।
৩. ওভারহিটিং বা অতিরিক্ত গরম হওয়া: ল্যাপটপ বেশি গরম হলে, ভেতরের ফ্যানগুলো আরও দ্রুত ঘুরতে শুরু করে। আর তা স্বাভাবিকভাবেই বেশি ব্যাটারি খরচ করে। সে কারণে একটি ল্যাপটপ কুলার কিনে নিন। এতে আপনার ল্যাপটপটি অতিরিক্ত গরম হবে না।
৪. হাইবারনেশনে রাখুন: ল্যাপটপ স্ট্যান্ডবাই মোডে না রেখে হাইবারনেশনে রাখুন। এতে আপনার কম্পিউটারটি বন্ধ হয়ে যাবে ও ব্যাটারির চার্জ অনেক বেশি সময় থাকবে। হাইবারনেশনে ল্যাপটপ বন্ধ হলেও, আপনি শেষ যেভাবে কাজগুলো সংরক্ষণ করছিলেন বা যে উইন্ডোগুলো খুলেছিলেন, ল্যাপটপটি চালু করলে ঠিক সে অবস্থাতেই সেগুলো পাবেন।
৫. উইন্ডোজের পাওয়ার প্ল্যান: ল্যাপটপে উইন্ডোজের সঙ্গে বিল্ট-ইন পাওয়ার প্ল্যান সেটিংসও পাচ্ছেন। তাই চিন্তার কিছু নেই। বিভিন্ন অপশন; যেমন- ডিসপ্লে ব্রাইটনেস বাড়ানো বা কমানো, কখন ডিসপ্লে ডিম বা অনুজ্জ্বল করতে এবং বন্ধ করতে চান, হার্ড-ড্রাইভসমূহ ও ইউএসবি পাওয়ার বন্ধ করতে চান, সেগুলো সংযোজিত রয়েছে।
৬. ব্যাটারি কেস: এ অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যাটারির সম্পূর্ণ স্ট্যাটাস দেখায়। শুধু তাই নয়। কতোটুকু ব্রাইটনেসে ব্যাটারি কতোক্ষণ চলবে সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে সেখানে। ব্যাটারির বর্তমান কন্ডিশন কেমন, তাও জানতে পারবেন। সিপিইউ ও হার্ড-ড্রাইভ অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও, সেটা প্রদর্শন করে ব্যাটারি কেস অ্যাপ্লিকেশন।
Read More

সম্পূর্ণ ফ্রিতে কথা বলুন শুধুমাত্র এন্ড্রয়েড অ্যাপস দিয়ে, তাও দেশের বাইরে যেকারো সাথে।

By
আপনি কি এন্ড্রয়েড ব্যবহারকারী?
তো আসুন একটা জিনিস শেয়ার করছি মানে একটা এপস।
এই অ্যাপস দিয়ে আপনি ফ্রিতে বিদেশে কথা বলতে পারবেন সম্পূর্ণ ফ্রিতে। :)
প্রতি মাসে ব্যবহার করতে পারবেন এটি আপনি তাও ফ্রিতে।

কীভাবে-

অ্যাপসটির নাম হলো DINGALING. প্লে ষ্টোরেই ফ্রী'তে পাবেন এপসটি। :)
এটি দিয়ে আপনি খুব সম্ভব মাসে দেড় ঘন্টা কথা বলতে পারবেন তবে একবারে কোন মোবাইলেই ১০ মিনিটের বেশী কথা বলা যাবে না।
এভাবে টোটাল দেশী/বিদেশী ল্যান্ড লাইন কিংবা মোবাইলে কথা বলতে পারবেন।
আপনার লিমিট শেষ হয়ে গেলে পরের মাসে আবার মিনিট পাওওয়ার কথা।
বেশী মিনিটের দরকার হলে ২/৩টা একাউন্ট খুলতে পারেন তবে সেক্ষেত্রে ২/৩ টা মোবাইল নাম্বার লাগবে।
বিস্তারীত তথ্য এই লিঙ্কে
Read More

আপনার পেনড্রাইভ কে কম্পিউটার এর চাবি হিসেবে ব্যাবহার করুন।

By
সবাই কেমন আছেন?? আসা করি ভালো... এটি টিটি তে ৪র্থ পোস্ট...
এখানে আমি আপনাকে দেখাবো আপনি আপনার পেনড্রাইভ কে চাবি হিসেবে ব্যাবহার করতে পাবেন... অর্থাৎ যতক্ষন পেনড্রাইভ লাগানো থাকবে ততোক্ষন কম্পিউটার চলবে... তাহলে শুরু করি... :-D

১ম ধাপঃ download.cnet.com/Predator-Free/3000-2144_4-10915340.html অথবা গুগল এ সার্চ দিয়েও ডাউনলোড করে নিতে পারেন Predator software টি...। ডাউনলোড শেষ হলে install দিন...
২য় ধাপঃ  install হতে আপনার পেনড্রাইভ টা লাগান এন্ড software টি ওপেন করুন... এর পর একটি ডায়েল বক্স আসবে যেটা আপনাকে নতুন পাসওয়ার্ড দিতে বলবে...। আপনার পাসওয়ার্ড টা দিন এবং আপনার পেনড্রাইভ টা সিলেক্ট করে Create Key And Press Ok....

প্রতি ৩০ সেকেন্ড পর পর সফটওয়্যার টা চেক করবে আপানার পেনড্রাইভ টি আছে কিনা...
কেমন হলো জানাবেন... :-D ;-)
Read More

নোকিয়া মোবাইল এর কিছু গোপন কোড জেনে নিন কাজে লাগতে পারে

By
যারা নোকিয়া মোবাইল ব্যাবহার করেন অনেক সময় অনেক কোড আমাদের দরকার হয় যা আমরা জানি না। তাই আজ আপনাদের জন্য নোকিয়া মোবাইল এর কিছু গোপন কোড দিলাম যারা জানেন না শুধু তাদের জন্য 
১) নোকিয়ার সকল ফোনের Default lock code: 12345
 ২)*#7780# রিসেট factory সেটিংস্ এর জন্য ডায়াল করুন।
৩)*#67705646# এটা LCD ডিসপ্লে ক্লিয়ার করবে। (অপারেটর লোগোসহ)
৪)*#0000# সফটওয়্যার ভার্সন দেখার জন্য।
৫)*#2820# Bluetooth ডিভাইস অ্যাড্রেস দেখতে পারবেন।
৬)*#746 025625# সিম clock allowed status দেখাবে।
৭)*#92702689# ডায়াল করলে গোপন মেনু থেকে এখানে নিচের তথ্য গুলো পাবেনঃ
    ## Serial নাম্বার দেখাবে।
## সেট তৈরির তারিখ দেখাবে।
## শেষ কবে নাগাদ ফোন সার্ভিস করেছিলেন তার তারিখ দেখাবে।
## ফোনের Life Time দেখাবে।
৮)*#3370* – (EFR)
deactivation. ফোন
অটোমেটিক restart হবে এবং ৩০% ব্যাটারিসাশ্রয় হবে যদি নেটওয়ার্ক খারাপ থাকে।
(নোকিয়া সেমবিয়ান ও জাভা মডেল গুলোতে ভালো কাজ করে)
৯) যদি আপনি আপনার নকিয়া S60 ফোনের Wallet code ভুলে যান, তাহলে reset করতেএই code ব্যবহার
করবেনঃ *#7370925538#
 ১০)আপনার মোবাইলের ভাষা যদি পরিবর্তন হয়ে যায় তাহলে *0000# প্রেস করে ডায়াল
করুন দেখবেন  আবার ইংরেজি ভাষা এসে গেছে।
১১)এতে কাজ না হলে *#0044# এভাবে চেষ্টা করুন ।
Read More

আপনার প্রিয় এন্ড্রয়েডের র‌্যাম বাড়ানোর কিছু টিপস………

By

নানা কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও শখের স্মার্টফোনটির র‍্যামের গতি কমে যেতে পারে। এতে স্মার্টফোনের গতিও কমে যায়। ফলে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন চালু করতে সময় নেয়। কারণ একাধিক অ্যাপ্লিকেশল ইন্সটল কিংবা চালালে র‍্যামের উপর প্রভাব পড়ে।
কাজের এই স্মার্টফোন গতিশীল না হলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। আর এই গতিশীল রাখার জন্য র‍্যামের সঠিক যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। নিচে কিভাবে র‍্যামের গতি বাড়ানো ও যত্ন নেওয়া যায় সেটি তুলে ধরা হলো।
১. যে অ্যাপগুলো খুব বেশি প্রয়োজন নয় সেগুলো আন-ইনস্টল করতে হবে। এতে ফোনের র‍্যাম ফ্রি থাকবে। ফলে স্মার্টফোন থাকবে গতিময়।
২. গুগল প্লে স্টোর থেকে টাস্ক কিলারের মতো কোনও অ্যাপ ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যেতে পারে। এগুলো গতি বাড়ানোর নানা কাজ নিজেই করে নেয়। একটু পুরনো স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য অটো টাস্ক কিলার অ্যাপটি বেশ উপযোগি। এটি নির্ধারিত সময়ের ব্যবধানে অ্যাপের প্রোসেস কিল করে স্মার্টফোনের র‍্যাম গতিশীল রাখে।
৩. স্টার্ট অ্যাপ ম্যানেজারের মতো কিছু স্মার্ট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করা যেতে পারে। এ অ্যাপগুলোর মাধ্যমে কতো সময় পর ফোন বুট বা রিস্টার্ট হবে সেটি নির্ধারণ করে দেওয়া যায়। এছাড়া নির্ধারিত সময় পর কোনও অ্যাপ্লিকেশন সক্রিয় বা নিস্ক্রিয় হবে তা ঠিক করা যায়। এতে র‍্যামের উপর কিছুটা প্রভাব কমে।
৪. দীর্ঘক্ষন চলার পর স্মার্টফোনটিকে রিস্টার্ট করতে হবে। নতুনভাবে চালু হওয়ার ফলে ক্যাশ ফাইলগুলো ডিলিট হয়ে যায় ও বিভিন্ন অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন বন্ধ থাকে। ফলে র‍্যামের গতি কিছুটা হলে বৃদ্ধি পায়।
৫. স্মার্টফোনের মেমরির দিকে সবসময় খেয়াল রাখতে হবে। মেমরি কমে গেলেও স্মার্টফোন ধীরগতির হয়ে পড়ে। ফলে স্মার্টফোনের গতি কমে যায়।
পরে আবার দেখা হবে অন্য এক টিউন এ ।
Read More
Home About-us Privacy Policy Contact-us Services
Copyright © 2014 kite | All Rights Reserved. Design By Templateclue - Published By Gooyaabi Templates