Home About-us Privacy Policy Contact-us Services

গুগল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গুগল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

গুগল পেজ র‌্যাংক, সবচেয়ে সহজ উপায়ে।

By
কোন সাইটটি কতটা জনপ্রিয় তা সাইটের পেজ র‌্যাংক দেখেই বলে দেওয়া সম্ভব। আপনার সাইটটি কতটা ভালো মানের সেটির উপর ভিত্তিকরে গুগল আপনার সাইটের একটি পেজ রেঙ্ক দিয়ে থাকে। পেজ রেঙ্ক প্রায় ৬ মাস পরপর আপডেট হতে পারে। আপনার সাইটের পেজ রেঙ্ক কত জানতে নিচের টুলটি ব্যবহার করুন।
Check Page Rank of your Web site pages instantly:

This page rank checking tool is powered by PRChecker.info service

www.prchecker.info

উপরের ওয়েব সাইটটিটে গিয়ে আপনার সাইটের লিঙ্ক দিয়ে দেখে নিন আপনার সাইটের পেজ রেঙ্ক কত। পেজ রেঙ্ক মুলত ০ থেকে ১০ এর মদ্ধে হয়ে থাকে।  ০ মানে হল আপনার সাইটের কোন রেঙ্ক নেই, আর ১০ মানে হচ্ছে আপনার সাইটের পেজ রেঙ্ক সব চাইতে বেশি।
সেরা কিছু পেজ রেঙ্ক পাওয়া সাইটের লিস্ট দেখুন

পেজ রেঙ্ক বৃদ্ধির কৌশল

  • .gov এবং .edu সহ নিউজপেপার সাইট থেকে লিঙ্ক নিতে চেষ্টা করুন।
  • dofollow সাইটে লিঙ্ক শেয়ার করুন।
  • ভালো মানের কন্টেন্ট।
Read More

জিমেইল id কে রাখুন সুরক্ষিত… নতুন পদ্ধতিতে

By

গুগলের ইমেইল সেবা ‘জিমেইল’
বিশ্বজুড়ে তুমুল জনপ্রিয়। গুগলের সকল
সেবা ব্যবহারের জন্য
একটি জিমেইল একাউন্টই যথেষ্ট।

এজন্য একে ‘গুগল একাউন্ট’ও
বলা হয়ে থাকে। সম্প্রতি অ্যাপলের
আইক্লাউড হ্যাক হয়েছে এবং বেশ
কয়েকজন সেলিব্রেটির ব্যক্তিগত
ছবি ফাঁস হয়ে গেছে। ঐ ঘটনার পর
এখন সবাই নতুন করে তাদের নিজ
নিজ অনলাইন সেবার
নিরাপত্তা বৃদ্ধির উপায় খুঁজছেন। এই
পোস্টে জিমেইল একাউন্টের
নিরাপত্তামূলক ফিচার ‘টু-স্টেপ
ভেরিফিকেশন’ চালুর উপায়
আলোচনা করা হবে। চলুন শুরু করি। টু-
স্টেপ ভেরিফিকেশন
পদ্ধতিতে বিভিন্ন ওয়েবসাইট
সেগুলোর ব্যবহারকারীদের
ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড
ছাড়া দ্বিতীয়
একটি উপায়ে পরিচয়
সম্পর্কে নিশ্চিত হয়।

এটি ব্যবহার করলে প্রতিবার নতুন
ডিভাইস/ব্রাউজারে আপনার
কাঙ্ক্ষিত সেবায় (উদাহরণস্বরূপ
জিমেইলে) সাইন ইন করার সময়
ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড ইনপুট করার
পরেও সেখানে আরেকটি পিন
কোড দিতে হবে।

এই কোডটি মোবাইলে এসএমএসের
মাধ্যমে আসে।

এগুলোকে সিক্যুরিটি কোডও
বলা হয়, যা প্রতিবারই সার্ভার
থেকে পাঠানো হয়। টু-স্টেপ
ভেরিফিকেশন একটিভ
থাকা যেকোন একাউন্ট হ্যাক
করতে চাইলে কমপক্ষে তিনটি বিষয়
দখলে থাকতে হবে।

সেগুলো হচ্ছে ইউজারনেম,
পাসওয়ার্ড এবং যে মোবাইল
নাম্বারে সেবাটি রেজিস্ট্রেশন
করা আছে/ সিক্যুরিটি কোড।

ইউজারনেম-পাসওয়ার্ড
নিয়ে নিলেও একই সময়ে আপনার
মোবাইল ফোনটি হ্যাকারের
হাতে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।

তাই জিমেইলে সাইন-ইন করার সময়
সিস্টেম যখন
মোবাইলে এসএমএসে আসা পিন
চাইবে তখন সেটি তাদের
পক্ষে দেয়া সম্ভব হবেনা। আর এই
যাত্রা আপনার একাউন্টটিও
হ্যাকিংয়ের হাত
থেকে রক্ষা পাবে। জিমেইলে টু-
স্টেপ ভেরিফিকেশন চালু
করতে চাইলে প্রথমেই আপনার
জিমেইল একাউন্টে লগইন করুন। এরপর
https://accounts.google.com/SmsAuthConfig
লিংক ভিজিট করুন। two step gmail ss1
এখানে আপনার জিমেইল
একাউন্টে টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন
চালু আছে কিনা তা দেখা যাবে।

যদি চালু না থাকে তবে ‘স্টার্ট
সেটআপ’ বাটনে ক্লিক করুন
। 2 step verification gmail ss 2 এখন আপনার
কাছে মোবাইল নম্বর চাওয়া হবে।

মোবাইল নম্বর লিখে ‘সেন্ড কোড’
বাটনে ক্লিক করলে নতুন একটি পেজ
আসবে এবং মোবাইলেও
একটি কোড নাম্বার আসবে।

2 step verify gmail 3 এবার ‘এন্টার
ভেরিফিকেশন কোড’
লেখা বক্সে কোডটি লিখে ‘ভেরিফাই’
বাটনে ক্লিক করুন।

2 step verify gmail 4
আপনি যে কম্পিউটারে এই
কাজগুলো করছেন,
সেটি যদি আপনার নিজের/বিশ্বস্ত
কম্পিউটার হয়ে থাকে,
তাহলে ‘ট্রাষ্ট দিজ কম্পিউটার’
বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে ‘নেক্সট’
বাটনে ক্লিক করুন

। 2 step verification gmail 5 cnfrm
সবশেষে ‘টার্ন অন ২-স্টেপ
ভেরিফিকেশন’ অপশনে ‘কনফার্ম’
বাটনে ক্লিক করে ফিচারটি চালু
করে নিন।

টু স্টেপ ভেরিফিকেশন
সফলভাবে চালু হলে এরপর
থেকে নতুন কোন ব্রাউজারে লগইন
করতে গেলে সিক্যুরিটি কোড
চাইবে এবং সেটি এন্টার করার পর
ব্রাউজারটি “ট্রাষ্ট” করার অপশন
আসবে।

অর্থাৎ, আপনার নিজের
পিসি বা মোবাইল হলে এর
ব্রাউজার গুগল সার্ভারে “ট্রাষ্ট”/
“সেভ” করে নিতে পারবেন।
এতে প্রতিবার লগইন করার সময়
এসএমএস কোড দিতে হবেনা। শুধু
ইউজারনেম (বা ইমেইল)- পাসওয়ার্ড
দিলেই চলবে।

কিছু কিছু অ্যাপস্ টু-স্টেপ
ভেরিফিকেশন চালু
থাকা জিমেইলে সাইন-ইন
সাপোর্ট করেনা।

সেক্ষেত্রে অ্যাপ স্পেসিফিক
পাসওয়ার্ড সেট করে নিন। টু স্টেপ
ভেরিফিকেশন চালু থাকা অবস্থায়
যদি মোবাইলে কোনো সমস্যা হয়
কিংবা সিম কার্ড হারিয়ে যায়,
তাহলে এসএমএসে কোড
পেতে সমস্যা হতে পারে।

এজন্য ফিচারটি চালু
থাকা অবস্থায় https://
accounts.google.com/SmsAuthConfig
ঠিকানা ভিজিট
করে আরেকটি ব্যাকআপ মোবাইল
নম্বর যোগ করে নিতে পারেন।
এছাড়া এখান থেকে ব্যাকআপ
ভেরিফিকেশন কোডও ডাউনলোড
করে নেয়া যাবে। ফলে এসএমএসের
জন্য অপেক্ষা না করে আপনার
কাছে থাকা ব্যাকআপ কোড দিয়েই
লগইন করতে পারবেন।

Read More

গুগল অ্যাডসেন্স এর Synchronous & Asynchronous কোড টাইপ সম্পর্কে জেনে নিন

By

সবাইকে আমার সালাম ও
শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
আশা করি সবাই ভাল আছেন।
আজকে গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাড কোড
এর একটা বিষয় নিয়ে সামান্য
আলাচনা করার চেষ্টা করবো।
আমাদের জাদের অ্যাডসেন্স
অ্যাকাউন্ট
আছে তারা হয়তো দেখেছি যখন
আমরা কোন অ্যাড এর কোড
কপি করি তখন
সেখানে উপরে একটা অপশন
আসে যে Code type
এবং এখানে দুইটি ড্রপডাউন অপশন
আসে আর সেটা হল Synchronous &
Asynchronous। অনেকে হয়তো জানেন
না এই Synchronous & Asynchronous কোড
টাইপ আর মানে। তাই ভাবলাম এ
বিষয় নিয়ে একটু আলোচনা করি।
প্রথমে আলোচনা করি Synchronous
অ্যাড টাইপ কি?
প্রথমে বলি Synchronous মানে কি।
আসলে কোন কিছু
একি নিয়মে চলা বা একটি নির্দিষ্ট
নিয়মে সব কিছু চলা। মানে হল
আপনি যদি কোন কাজ Synchronously
করেন তার মানে হল একটা কাজ
করে তারপর অন্য
কাজে যাওয়া বা অন্য
কাজে যাওয়ার আগে আগের কাজ
শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা।
ঠিক এমনটি ঘটে Synchronous অ্যাড এর
ক্ষেত্রে। আপনি যদি আপনার সাইট
অনেক অ্যাড শো করান
তাহলে প্রথমে একটা লোড
হবে তারপর অন্যটা লোড হবে।
এক্ষেত্রে যা হয় সেটা হল
প্রথমে অ্যাড script add slot কে কল
করে এরপর Javascript কল করে গুগল
থেকে।এখন কোন কারনে যদি প্রথম
অ্যাড লোড না হয় বা কোন
কারনে লোড হতে দেরি হয়
তাহলে বাকি গুলো অ্যাড ও লোড
হবে না।
এখন আসি Asynchronous অ্যাড টাইপ
কি ?
Asynchronous মানে হল
যেটা synchronous না। মানে হল
আপনি যেকোনো কাজ
যেকোনো সময়ে করতে পারবেন।
আপনাকে আগের টা শেষ
না হওয়া পর্যন্ত
অপেক্ষা করতে হবে না।
Asynchronous এর অ্যাড এর ক্ষেত্রেও
একি ঘটনা ঘটে মানে হল প্রথম অ্যাড
লোড না হলেও পরের অ্যাড লোড
হতে পারে। এখানে যা ঘটে তা হল
অ্যাড script প্রথমে গুগল
থেকে Javascript কল করে ব্রাউজার
এর cache এর জন্য। পরে এই ব্রাউজার
Cache বাকি থাকা add slot কে কল
করে আপনার সাইট এ অ্যাড লোড
হওয়ার জন্য।
একবার যদি আপনার ব্রাউজার এ
javascript লোড হয় তা হলে বার বার
আর ডাউনলোড করার দরকার হয় না।
এর ফলে আপনার সাইট এর স্পীড এর
উপর এটি তেমন প্রভাব ফেলে না।
এখন কথা হল আপনি কোন কোড টাইপ
ব্যবহার করবেন বা কোন কোড টাইপ
সবচেয়ে ভাল ?
আমার ছোট মাথায় যা মনে হয়
তা হল Asynchronous কোড টাইপ।
আমার মনে হয় কেন তা বোঝানোর
দরকার হবে না। যদি উপরের সবকিছু
ভাল করে পরে থাকেন
তাহলে আপনার সিদ্ধান্ত
আপনি নিজেই নিতে পারবেন
আশা করি।
আমি যা বুঝেছি তাই লেখার
চেষ্টা করেছি। যদি কোন ভুল
হয়ে থাকে তা হলে ক্ষমা করে দিবেন।
সবাই ভাল থাকবেন এই কামনায়
আজকে মতো বিদায়।

Read More

ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন সেবা চালু করল গুগল!

By

ওয়েব দুনিয়ায় ডোমেইনের গুরুত্ব
অপরিসীম। ডোমেইন
নাম’কে বলা যায়
একটি ওয়েবসাইটের মূল ভিত্তি। আর
এজন্যই ওয়েব জায়ান্ট গুগল এবার
ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন
সেবা দিতে শুরু করেছে। এই
মুহুর্তে সেবাটি পরীক্ষামূলক
পর্যায়ে রয়েছে।
‘গুগল ডোমেইনস’ ব্র্যান্ডনেমের এই
সেবা পুরোপুরি চালু হলে এর
মাধ্যমে ব্যক্তিগত পরিসর থেকে শুরু
করে ব্যবসায়িক ক্ষেত্র পর্যন্ত সবাই
এখানে ডোমেইন কেনা, দেখভাল
করা ও স্থানান্তরের সুবিধা পাবেন।
আর এটি যেহেতু গুগলের সার্ভিস,
তাই এখানে অন্য কোম্পানির তুলনায়
একটু বেশি নিরাপত্তা আশা করাই
যেতে পারে।
গুগল ডোমেইনসের আওতায় সম্ভবত
কোনো হোস্টিং প্যাকেজ
দেবেনা কোম্পানিটি।
তবে ইতোমধ্যেই স্কয়ারস্পেস, উইক্স,
উইবলি ও শপিফাইয়ের মত ওয়েব
সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গুগলের
সাথে পার্টনারশিপ সাইন করেছে।
ফলে গুগলের নিকট থেকে ডোমেইন
নিয়ে এসব প্রোভাইডারের
সাথে সহজেই সাইট হোস্ট
করা যাবে। আর অন্যান্য
হোস্টিং কোম্পানি তো রয়েছেই।
গুগল ডোমেইনস এ নিবন্ধনকৃত
সাইটগুলো গুগলের নিজস্ব ডিএনএস
ব্যবহার করবে। প্রাইভেট ডোমেইন
রেজিস্ট্রেশনের জন্য
আলাদা কোনো চার্জ
নেবেনা গুগল।
এখানে প্রতিটি ডোমেইনের জন্য
আপনি ১০০ ইমেইল এড্রেস এবং ১০০
কাস্টমাইজড সাব ডোমেইন
খুলতে পারবেন।
গুগলের ডোমেইন সেবা পরীক্ষামূলক
অবস্থায় থাকায় যে কেউ চাইলেই
এখান থেকে ডোমেইন
কিনতে বা এতে ট্র্যানসফার
করতে পারবেন না।
সেবাটিতে এক্সেস
পেতে একটি ইনভাইটেশন কোড
দরকার হবে। কোডটি পেতে এই
লিংকে গিয়ে ইমেইল এড্রেস
দিয়ে আবেদন করুন। স্টেবল
রিলিজের আগে কোনো একদিন
কোডটি পেলে তখন গুগলেই আপনার
ডোমেইন ম্যানেজ শুরু করতে পারবেন।

Read More
Home About-us Privacy Policy Contact-us Services
Copyright © 2014 kite | All Rights Reserved. Design By Templateclue - Published By Gooyaabi Templates