বাংলাদেশী যারা ফ্রীলান্সার রয়েছেন তাদের সবচাইতে বড় সমস্যা হল দেশে পেপাল না থাকা। পৃথিবীর সেরা একটি অনলাইন পেমেন্ট সার্ভিস হচ্ছে পেপাল। উন্নত বিশ্বে পেপাল ছাড়া ওয়েব কল্পনাও করা যায় না। যারা ফ্রীলান্সার তারা খুব ভাল করেই জানেন পেপাল না থাকার সমস্যা। তবে পেপালের জন্যতো আমাদের থেমে থাকলে চলবে না। তাই আজ আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব পেপালের ৫টি অল্টারনেটিভ পেমেন্ট সার্ভিসের সাথে যেগুলো প্রায় পেপালের মতই সেবা দিয়ে থাকে। আর এই পেমেন্ট সার্ভিস গুলো বাংলাদেশ থেকেই ব্যাবহার করা যায়। চলুন জেনে নেই এই সাইট গুলো সম্পর্কে।
Google Wallet
আমার
কাছে পেপালের সবচাইতে ভাল অল্টারনেটিভ মনে হয় গুগল ওয়ালেটকে। গুগলের একটি
সেবা বলে এটি একটি ট্রাষ্টেড সার্ভিস বলা চলে। বর্তমানে গুগল ওয়ালেট ১৬০টির
ও অধিক দেশে চালু আছে।
Selz
সেলজ
মূলত ব্লগার বা ছোট ইকমার্স ওয়েবসাইটে ব্যাবহার করা হয়। এটি খুবই ইউজার
ফ্রেন্ডলি। আপনি চাইলে এদের পেমেন্ট গেটওয়ে দিয়ে ফেসবুক থেকে আপনার পণ্য
সেল করতে পারনে। আর টাকা লেন দেন করার সব ফিচারতো আছেই।
Payoneer
পেওনিয়ার
হচ্ছে একটি আমেরিকান প্রতিষ্ঠান। লেন দেন করার জন্য বর্তমানে এটি খুবই
জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আপনি তাদের ফ্রী ক্রেডিট কার্ড ইস্যু করে যেকোনো ভিসা
বা মাস্টার কার্ড ইনাবল ATM বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবেন।
E-Junkie
অনেক
পুরাতন তবে ট্রাষ্টেড একটি সাইট। সাইটটিতে আপনি অনেক ফিচার অ্যাড করতে
পারবেন। আপনি চাইলে গুগল অ্যানালাইটিকস অ্যাড করে আপনার ইকমার্সের
পরিসংখ্যান পেতে পারেন।
Payza
আমার
মনে হয় বাংলাদেশীদের জন্য সেরা চয়েজ হবে পেইজা। বাংলাদেশে তাদের অফিশিয়াল
সাপোর্ট ও অফিস থাকার কারনে আপনি অনেক ফিচার পাবেন যা আপনি অন্য অনেক সাইটে
পাবেন না। আরও জানতে তাদের ওয়েবসাইটটি দেখুন।
আশাকরি
এই পেমেন্ট সার্ভিস গুলো আপনাদের কাজে আসবে। তবে পেপালের অভাব কেউই
সম্পূর্ণ পূর্ণ করতে পারে না!! পেপাল শীঘ্রই বাংলাদেশে আসবে এই আসাবেক্ত
করে পোস্ট এখানেই শেষ করছি।