তথ্য অধিকার বিষয়ক
কর্মীরা বিশ্বের সর্বাধিক জনপ্রিয়
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
ফেসবুকের বিরুদ্ধে ভিয়েনার
একটি আদালতে মামলা করেছে।
ফেসবুকের তথ্য
সেবা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তথ্য
অধিকার বিষয়ক কর্মীরা আন্দোলন
করে আসছিলেন। কিন্তু তাদের
প্রচারণাকাজে ২৫ হাজার মানুষের
অংশগ্রহণ না হওয়া পর্যন্ত
কোনো আইনি পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব
হচ্ছিল না।
ফেসবুক তার ভোক্তাদের ব্যক্তিগত
তথ্য গোপন রাখছে না এই
মর্মে অস্ট্রিয়ার আইনের ছাত্র ম্যাক্স
শেকরেম বলেন, ‘আমরা আরও সমর্থন
আশা করছি। কিন্তু সমর্থনকারীদের
সংখ্যা আমাদের আশার তুলনায় কম।’
২৬ বছর বয়সী এই আইনের ছাত্র
ফেসবুকের বিরুদ্ধে মামলা লড়ার জন্য
দীর্ঘদিন ধরেই সাধারণ মানুষের
সমর্থন আদায়ের
চেষ্টা করে আসছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত
কোম্পানি ফেসবুকের সদস্য
সংখ্যা বর্তমানে ১৩২
কোটি এবং তাদের মোট মুনাফার
পরিমান ১৮ হাজার ৯০০
কোটি ডলার।
মামলাকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষ
থেকে জানানো হয়, এই
আন্দোলনে অনেকে যুক্ত হওয়ায় এখন
ফেসবুকের
বিরুদ্ধে প্রচারণা চালানো সহজ
হবে আমাদের জন্য। সবারই তথ্য
অধিকার আইন সম্পর্কে জানা উচিৎ।
অস্ট্রিয়ার আইন অনুযায়ী, একদল মানুষ
ইচ্ছে করলেই তাদের অর্থনৈতিক
নিষ্পত্তির বিষয়টি একজনের
মাধ্যমেও
আদালতে নিয়ে যেতে পারে। আর
এই আইন বলেই হাজারো মানুষের
পক্ষে ফেসবুকের
বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
শেকরেম আরও দাবি করেন,
‘ফেসবুকের উচিৎ তার
প্রতি সদস্যকে ৫০০ ইউরো ভাগ দেয়া।
কারণ এই সদস্যদের তথ্যের
নিয়েই ব্যবসা করছে ফেসবুক। শুধু তা-ই
নয়, জাতীয় নিরাপত্তা এজেন্সির
ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।’
উল্লেখ্য, ব্রিটেনের ডাটা ওয়াচডগ
ফেসবুকের বিরুদ্ধে উত্থাপিত
অভিযোগ তদন্ত করে দেখছে।
তদন্তে যদি প্রমাণিত হয়, ফেসবুক তার
ভোক্তাদের ব্যক্তিগত তথ্য
নিজেদের কাজে ব্যবহার করছে।
এটা সত্য হলে ফেসবুকের পরিণতি খুব
একটা ভালো হবে না বলে মনে করছেন
বিশেষজ্ঞরা।